Advertisement
E-Paper

অজান্তেই হার্টের রোগ ধরছে না তো? রোজের ৫ অভ্যাসেই ক্ষতি হচ্ছে শরীরের, সতর্ক হোন দ্রুত

অনেকেই মনে করেন, বড়সড় কোনও ঘটনা বা কারণই হার্টের ক্ষতি করে, কিন্তু দৈনন্দিন জীবনের আপাত নিরীহ কিছু রুটিনই হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই দ্রুত সতর্ক হওয়া উচিত প্রত্যেকের।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২৬ ২১:০১
হার্টের ঝুঁকি বাড়ছে রোজের ৫ অভ্যাসে।

হার্টের ঝুঁকি বাড়ছে রোজের ৫ অভ্যাসে। ছবি: সংগৃহীত।

রাতারাতি নয়, হার্টের রোগ ধরতে পারে দীর্ঘ দিনের অনিয়মের কারণেও। রোজের কিছু অভ্যাস বা জীবনযাপন পদ্ধতি হার্টের রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। অনেকেই মনে করেন, বড়সড় কোনও ঘটনা বা কারণই হার্টের ক্ষতি করে, কিন্তু দৈনন্দিন জীবনের আপাত নিরীহ কিছু রুটিনই হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই দ্রুত সতর্ক হওয়া উচিত প্রত্যেকের। কিছু ক্ষতিকারক অভ্যাস ত্যাগ করা উচিত তাড়াতাড়ি।

অতিরিক্ত ব্যস্ততা ও মানসিক চাপ: সারা ক্ষণ সতর্ক থাকা, ব্যস্ত থাকা এবং নিজেকে বিশ্রাম না দেওয়ার মতো অভ্যাস হার্টের শত্রু। দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক চাপের মধ্যে থাকলে স্ট্রেস হরমোন বা কর্টিসল বেড়ে যায়। এর ফলে রক্তচাপ বেড়ে গিয়ে ধীরে ধীরে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

ধূমপান: রক্তনালির ভিতরের স্তর, অর্থাৎ এন্ডোথেলিয়ামের সরাসরি ক্ষতি করে ধূমপানের অভ্যাস। পাশাপাশি নাইট্রিক অক্সাইডও কমিয়ে দেয়, যা রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে রক্তনালিতে প্রদাহ তৈরি হয় এবং রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। ফলে হার্টের রোগের ঝুঁকি প্রবল ভাবে বেড়ে যায়।

কায়িক শ্রমহীন যাপন: সারা দিন বসে বসে কাজ করেন? কায়িক শ্রমহীন এই যাপন কিন্তু আপাত দৃষ্টিতে নিরীহ হলেও তা শরীরের জন্য ক্ষতিরক। হার্টের কার্যক্ষমতা দ্রুত কমিয়ে দিতে পারে এই ধরনের যাপন। হার্টের পেশিকে সক্রিয় বা সচল না রাখলে ক্ষয় হতে থাকে। পাশাপাশি শরীরে রক্ত চলাচল সুষ্ঠু ভাবে হতে পারে না। তাই রোজের শরীরচর্চা খুব প্রয়োজন। ব্যায়ামের সময় না থাকলেও ঘরের কাজ করে নিজেকে সক্রিয় রাখা যায়।

অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার: প্যাকেটজাত বা অতিরিক্ত প্রক্রিয়া করা খাবার মানেই অতিরিক্ত নুন, চিনি, তেল এবং সংরক্ষণকারী রাসায়নিকের উপস্থিতি। ছাঁকা তেলে ভাজা খাবার বা স্যাচুরেটেড ও ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবার অথবা কার্বোনেটেড পানীয় ধমনীতে প্লাক জমার প্রবণতাকে বাড়িয়ে দিতে পারে। এর ফলে হার্টের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটতে পারে।

অপর্যাপ্ত ঘুম: গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকা বা কম ঘুম হওয়া শরীরের স্বাভাবিক জৈবিক ছন্দকে বিঘ্নিত করে, যার ফলে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং হার্টের উপর চাপ পড়ে। দীর্ঘ দিন ধরে যদি ৬ ঘণ্টার কম ঘুম হয়, তা হলে তা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর ফলে রক্তচাপ বেড়ে গিয়ে হার্টে চাপ পড়ে।

Heart Diseases Heart Attack Risk
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy