Advertisement
E-Paper

পিসিওসের সমস্যা কমবে, ভাল থাকবে ত্বকও, নিয়ম করে পাতে রাখুন ৫ ফল

এমন ফল বেছে নেওয়া উচিত যেগুলোর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম এবং যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

শেষ আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৬ ২১:১৯

পিসিওএস বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাস বড় ভূমিকা রাখে। যেহেতু এই সমস্যায় ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এবং হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়, তাই এমন ফল বেছে নেওয়া উচিত যেগুলোর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম এবং যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

১. বেরি জাতীয় ফল

স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, ব্ল্যাকবেরি বা আমাদের দেশে সহজলভ্য কালোজাম পিসিওএসের জন্য সেরা। এতে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের প্রদাহ কমায় এবং ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি বাড়ায়।

২. টক জাতীয় ফল

লেবু, আমলকী, বাতাবি লেবু এবং কমলা। এই ফলগুলি ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ, যা হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং শরীরের ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে।

৩. আপেল ও নাশপাতি

খোসা সহ আপেল এবং নাশপাতি পিসিওএস রোগীদের জন্য খুব ভাল। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাত বেড়ে যেতে দেয় না এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে।

৪. চেরি

চেরি ফল ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং এতে থাকা পুষ্টি উপাদান ভালো ঘুমে সহায়তা করে, যা পিসিওএস ম্যানেজমেন্টের জন্য জরুরি।

৫. পেয়ারা

পেয়ারা একটি কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সম্পন্ন ফল। এটি রক্তে চিনির মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।

কিছু জরুরি টিপস:

আস্ত ফল খান: ফলের রসের চেয়ে গোটা ফল খাওয়া অনেক বেশি উপকারী, কারণ ফলের ফাইবারে ইনসুলিন স্পাইক রোধ হয়।

পরিমাণ ঠিক রাখুন: ফল স্বাস্থ্যকর হলেও এতে ফ্রুক্টোজ (প্রাকৃতিক চিনি) থাকে, তাই দিনে ১-২ কাপের বেশি ফল না খাওয়াই ভালো।

মিষ্টি ফল এড়িয়ে চলুন: খুব বেশি মিষ্টি ফল যেমন—পাকা আম, লিচু বা কাঁঠাল সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে ফলের পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম এবং কার্বোহাইড্রেট কম থাকা ডায়েট অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy