Advertisement
E-Paper

দীর্ঘ দিন হাঁটুর ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছিলেন অভয় দেওল! স্টেম সেল থেরাপিতেই কমল যন্ত্রণা

বেশ কিছু বছর ধরে হাঁটুর যন্ত্রণা আর সায়াটিকার সমস্যায় ভুগে দক্ষিণ কোরিয়ায় গিয়ে ট্রিটমেন্ট করিয়ে আপাতত অভয় অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন। বিদেশে কী ট্রিটমেন্ট হয়েছে অভিনেতার?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:৩৬
অভয় দেওয়ল।

অভয় দেওয়ল। ছবি: সংগৃহীত।

প্রায় দু’দশক ধরে অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভয় সিংহ দেওল। বলিপাড়ার দেওল পরিবারের পুত্র, সানি এবং ববি দেওলের তুতো ভাই হওয়া সত্ত্বেও বেশ কয়েক বছর ধরেই বলিপাড়ায় বেপাত্তা হয়ে গিয়েছিলেন অভয় দেওয়ল। সম্প্রতি নিজের শারীরিক সমস্যা নিয়ে সমাজমাধ্যমে খোলাখুলি আলোচনা করেন অভয়।

বেশ কিছু বছর ধরে হাঁটুর যন্ত্রণা আর সায়াটিকার সমস্যায় ভুগে দক্ষিণ কোরিয়ায় গিয়ে ট্রিটমেন্ট করিয়ে আপাতত অভয় অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন। অভিনেতা বলেন, ‘‘অনেক দিন ধরে স্লিপ ডিস্কের কারণে আমি হাঁটুর যন্ত্রণা আর সায়াটিকার ব্যথায় ভুগছিলাম। মাঝে মাঝে মানসিক ভাবে ভীষণ ভেঙে পড়তাম। আমি কোনও ধরনের অস্ত্রোপচার করাতে চাইনি। সেই সময় আমি স্টেম সেল থেরাপি সম্পর্কে জানতে পারি। বিষয়টি সম্পর্কে পড়ে আমার মনে হয়েছিল, গোটা প্রক্রিয়াটি যথেষ্ট নিরাপদ। এটা করানো যেতেই পারে।’’

স্টেম সেল থেরাপির পর অভয়ের মনে হয়েছে বিষয়টি বেশ কার্যকর। অভয় বলেন, ‘‘কোনও কৃত্রিম উপকরণ নয়, আমার শরীরের নিজস্ব কোষগুলি আমাকে আবার সুস্থ করে তুলেছে। জীবনকে আবার নতুন করে ফিরে পেয়েছি কোরিয়ায় এই স্টেম সেল থেরাপি করিয়ে।"

স্টেম সেল থেরাপি কী?

সংক্রামক ব্যাধি বিশেষজ্ঞ ও ভায়রোলজিস্ট অমিতাভ নন্দীর মতে, “সন্তান জন্মানোর পর মায়ের শরীর থেকে যে প্ল্যাসেন্টা বেরিয়ে আসে, তার মধ্যে রয়েছে এই সব স্টেম সেল। বিজ্ঞানীরা এখান থেকে কোষ নিয়ে তাকে পরিণত করেন স্মার্ট কোষে। এমন ভাবে প্রোগ্রামিং করা হয় যে, সেই কোষ যে শরীরে যাবে, সেই শরীরের প্রয়োজন বুঝে, ঠিক তার মাপ মতো ওষুধ তথা প্রোটিন নিঃসরণ করবে। স্টেম সেল থেরাপি মূলত এটিই। স্টেম সেলগুলি ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু মেরামত করতে পারে। এই কোষগুলি অনেক সময় ব্যক্তির নিজের শরীর থেকেও নেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে অস্থি মজ্জা বা শরীরের চর্বি থেকে স্টেম সেল সংগ্রহ করা হয়। সংগ্রহের পরে, স্টেম সেলগুলি প্রোগ্রামিংয়ের পর আক্রান্ত স্থানে ইঞ্জেকশন দিয়ে শরীরে ঢোকানো হয়।

সায়াটিকার ভোগান্তি দূর করতে কতটা কার্যকর সেল থেরাপি?

দীর্ঘ ক্ষণ এক জায়গায় বসে কাজ, মাঝে হাঁটাচলার অবকাশও কম। আজকাল কর্মক্ষেত্রে এমন রুটিনে অভ্যস্ত অনেকেই। আর এই রুটিনের হাত ধরে শরীরে যখন তখন হানা দিচ্ছে সায়াটিকার ব্যথা। এক জায়গায় বসা ছাড়াও চাকা দেওয়া চেয়ারে বসে থাকা, শরীরের প্রয়োজনীয় শ্রমে ঘাটতি ইত্যাদি কারণেও এমন ব্যথার শিকার হতে পারেন কেউ। সায়াটিক স্নায়ুর উপর চাপ পড়ে ঊরুর পিছনের দিক থেকে শুরু করে পায়ের পিছনের দিকে এই বেদনা ছাড়িয়ে যায়। কখনও আবার অবশও হয়ে আসে পায়ের একাংশ। অনেক সময় ফিজ়িয়োথেরাপি আর ওষুধ দিয়েও সায়াটিকার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না। চিকিৎসকদের মতে, স্টেম সেল থেরাপি স্নায়ুর চারপাশে প্রদাহ কমিয়ে সায়াটিকার যন্ত্রণা মোকাবিলায় সাহায্য করতে পারে। এর সাহায্যে মেরুদণ্ডের কাছাকাছি ক্ষতিগ্রস্ত ডিস্ক এবং টিস্যুগুলি মেরামত করা যেতে পারে।

Stem cell
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy