রোজ সকালে ঘুম ভেঙে একই দৃশ্য, একই নিয়ম, একই রুটিন, একই খাবার, একই রাস্তা দিয়ে কাজে যাওয়া, সেই রাস্তা দিয়েই ফেরা, আবার একই ভাবে খেয়েদেয়ে, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে, বই বা ফোন চোখে রেখে ঘুমিয়ে পড়া। আপনি একা নন। অধিকাংশ মানুষই এমন যাপনে অভ্যস্ত। বৈচিত্রহীন। কখনও কখনও এই যাপনচক্র একঘয়ে মনে হতেই পারে। তখন নতুন কিছু করার ইচ্ছেও কমে যায়, কাজের উৎসাহও কমতে থাকে।
এই দিনগত পাপক্ষয় থেকে ক্ষণিকের জন্য ছিটকে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দিলেন অভিনেতা আর মাধবন। সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রায়শই সমাজমাধ্যমে নিজের ভাবনাচিন্তা ভাগ করে নেন তিনি। সম্প্রতি জীবনের একঘেয়েমি কাটানোর উপায় বাতলালেন বলিউড তারকা। তাঁর মতে, সপ্তাহান্তের একটি ছোট অভ্যাস বদলালেই মন ও চিন্তাভাবনায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। আর তা হল, চেনা পরিসর থেকে বেরোনো। সব ক্ষেত্রে।
সপ্তাহান্তে বেরিয়ে আসতে পারেন। ছবি: সংগৃহীত
একই রুটিনে আটকে থাকতে থাকতে মন ক্লান্ত হয়ে পড়ে। মাধবনের মতে, বেশির ভাগই সপ্তাহে পাঁচ দিন (বা ছ’দিন) কাজ করেন অফিসে। এবং সপ্তাহান্তেও প্রায় একই কাজ করেন। অফিস না গেলেও বাড়িতে থাকেন, একই জায়গায় যান, একই ভাবে সময় কাটান। সপ্তাহের ছুটির দিনেও বৈচিত্র নেই। এই একঘেয়ে অভ্যাসের কারণে মস্তিষ্কও নতুন কিছু ভাবতে পারে না। তাই সপ্তাহান্তে পরিবেশ বদলানো খুব দরকার।
নতুন বা পুরনো শখ শুরু করতে পারেন। ছবি: সংগৃহীত
কী কী করা যেতে পারে যা প্রতি দিনের জীবনে করেন না?
· ১-২ দিনের জন্য হলেও নতুন জায়গায় যান
· কোথাও ছোট ভ্রমণে বেরোন
· প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটান
· নতুন কোথাও হাঁটতে যান
· নতুন ধরনের আড্ডার ব্যবস্থা করুন
· কোনও নতুন শখ শুরু করুন
· শহরের এমন জায়গা ঘুরে দেখুন, যেখানে আগে যাননি
নতুন পরিবেশে গেলে মনও নতুন ভাবে ভাবতে শুরু করে। এতে সৃজনশীলতা বাড়ে এবং কাজের প্রতি আগ্রহও বাড়তে পারে। মাধবনের মতে, নতুন জায়গা বা নতুন অভিজ্ঞতা মানুষকে নিজের গণ্ডি ভেঙে বেরতে সাহায্য করে। নতুন অভিজ্ঞতা আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।