Advertisement
E-Paper

তিসি, চিয়া, কুমড়ো, সূর্যমুখী, দৈনন্দিন খাবারে বীজের ছড়াছড়ি! খাওয়ার সময়ে কোন ভুল এড়াবেন

প্রাতরাশ থেকে নৈশভোজে জুড়ছেন বীজ। উপকারী হলেও কোন ভুলে তা বিপত্তির কারণ হতে পারে। কোন বীজ, কী ভাবে খাওয়া দরকার?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ মার্চ ২০২৬ ১৮:০৯
বীজ খাওয়ার ভুলে কোন বিপত্তি হতে  পারে?

বীজ খাওয়ার ভুলে কোন বিপত্তি হতে পারে? ছবি: ফ্রিপিক।

এতদিন যে কুমড়োবীজ অবহেলা, অনাদরে পড়ে থাকত— এখন কদর বেড়েছে তার। তিলের নানা পদ বহু দিন ধরে খাওয়ার চল থাকলেও, এর গুণাগুণ নিয়ে তেমন আলোচনা ছিল না। বীজ আসলে স্বাস্থ্যকর ফ্যাটে পূর্ণ, খনিজ-ভিটামিনের জোগানদাতা। এই নিয়ে আলোচনা শুরু হতেই হেঁশেলে বেড়েছে কদর। তিসি, চিয়া— বছর পাঁচেক আগেই যে বীজের নাম অনেকেই জানতেন না, এখন সেই বীজ তাঁদের প্রাতরাশের সঙ্গী।

এমস এবং হার্ভার্ডে প্রশিক্ষিত পেটের রোগের চিকিৎসক সৌরভ শেট্টির কথায়, খাওয়ার ভুলেই বীজের গুণাগুণ শরীর নাও পেতে পারে। উপকারের কথা বলা হলেও, পেটের জন্য তা ক্ষতিকর হতে পারে। কোন সাধারণ ভুল হয়ে যেতে পারে?

সব বীজই এক: তিসি আর চিয়া বীজে ফারাক আছে। সূর্যমুখীর বীজ আর কুমড়োবীজের কাজ এক নয়। অনেকে মনে করেন যে কোনও বীজ খেয়ে নিলেই হয়। প্রতিটি বীজের নিজস্ব কাজ রয়েছে। শরীর এবং প্রয়োজন বুঝে সঠিক বীজটি বাছতে হবে।

তিসির বীজ: স্যালাড বা স্মুদিতে তিসির বীজ ছড়িয়ে খেলেই হয়, মনে করেন অনেকে। চিকিৎসক মনে করাচ্ছেন তিসির বীজ গুঁড়ো করে খাওয়া দরকার। তিসির বীজের শক্ত খোলস হজম করা মুশকিল। তা ছাড়া বীজ গুঁড়ো করলে তবেই ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার ঠিক ভাবে পাওয়া যায়। শরীর হজম করতে পারে।

বীজ মানেই শুকনো খাওয়া যায়: কুমড়ো বা সূর্যমুখীর বীজ শুকনো খাওয়া গেলেও চিয়া বা সবজা (তুলসীর বীজ) খাওয়া যায় না। এই দুই বীজ খাওয়ার সঠিক উপায় হল জলে বা দুধে ভিজিয়ে খাওয়া। বীজগুলি তরল শুষে নরম হয়, ফুলে ওঠে। খাওয়া এবং হজম করা সহজ হয়। চিয়া বা সবজা কেউ শুকনো খেলে পেটে গিয়ে জল টেনে ফুলে উঠবে। ঠিকমতো জল খাওয়া না হলে, শরীরে জলশূন্যতাও দেখা দিতে পারে। তার উপর কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও তৈরি হতে পারে।

চিয়া-তুলসীর বীজ: দুটোই জলে ভিজিয়ে খাওয়া হলেও তাদের কাজ আলাদা। চিকিৎসকের পরামর্শ, মাঝেমধ্যে দুই বীজ পাল্টে খাওয়ার। তুলসীর বীজ পেট ঠান্ডা করে, অম্বল-বুকজ্বালার সমস্যা কমায়। অন্য দিকে, চিয়া ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর। ফাইবারে পূর্ণ। এটি পেট ভরিয়ে রাখে অনেক ক্ষণ।

বীজ কম ক্যালোরির: বীজ মানেই ক্যালোরি কম, তা নয়। বরং বীজ পুষ্টিগুণে ভরা। দিনে ১-২ চামচ বীজ খাওয়া যেতে পারে। তার থেকে বেশি হলে পেটের সমস্যা হতে পারে, ক্যালোরিও যথেষ্ট ঢুকবে শরীরে।

সব শেষে সৌরভ মনে করাচ্ছেন, বীজ পুষ্টিগুণে ভরপুর হলেও অন্ত্রের জন্য সরাসরি কাজ করে না। বরং বীজে থাকা ফাইবার, প্রিবায়োটিক, প্রদাহনাশক উপাদান অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে। তাই বীজ মানেই জাদু নয়।

Seeds Eating Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy