ঘরে ঘরে পেটের সমস্যা। ছোটরাই বেশি ভুগছে। ডায়েরিয়া, বমি বা রক্ত আমাশয়ের প্রকোপও বাড়ছে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) জানিয়েছে, যে ধরনের ডায়েরিয়া ছড়াচ্ছে তার জন্য একগুচ্ছ ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়া দায়ী। এ ধরনের জীবাণু দূষিত জল ও অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকেই মূলত ছড়ায়। বাসি খাবার, রাস্তার কাটা ফল, শরবত, দূষিত জল এবং পচা খাবার থেকে সংক্রমণ খুব দ্রুত ঘটতে পারে। এমন সমস্যার সমাধান শুধু ওষুধ খেয়ে হবে না। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃ্দ্ধি করতে হবে। সে জন্য যোগাসনের কিছু পদ্ধতি সহায়ক হতে পারে।
কোন কোন আসন অভ্যাসে পেটের রোগ সারবে?
এক পদাসন
ম্যাটের উপর সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে, দুই হাত শরীরের দু’পাশে থাকবে। কোমর থেকে শরীর ঝুঁকিয়ে দুই হাত দিয়ে বাঁ পায়ের পাতা ছুঁতে হবে। ডান পা পিছন দিক দিয়ে যতটা সম্ভব উপরে তুলতে হবে। শরীর টানটান থাকবে, শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখতে হবে। এই ভাবে ৩০ সেকেন্ড থেকে পা বদলে ফের আসনটি অভ্যাস করতে হবে।
আরও পড়ুন:
সিংহগর্জাসন
প্রথমে ম্যাটের উপরে বজ্রাসনে বসতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, দুই হাঁটুর মধ্যে যেন ব্যবধান থাকে। এর পর শরীর সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে দুই হাতের তালু, দুই হাঁটুর মাঝে রাখতে হবে। শরীরের ভর হাতের উপর দিতে হবে। নাক দিয়ে গভীর ভাবে শ্বাস টেনে মুখ প্রসারিত করে জিভ বার করতে হবে। মুখ দিয়ে খুব জোরে শব্দ করতে হবে। মাথা সোজা থাকবে এবং দৃষ্টি দুই ভ্রুর মাঝে থাকলে ভাল হয় ।এই ভঙ্গিমায় ২০-৩০ সেকেন্ড থেকে আগের অবস্থায় ফিরে যেতে হবে।
বালাসন বা চাইল্ড পোজ়
হাঁটু মুড়ে গোড়ালির উপর বসতে হবে। তার পর কোমর থেকে শরীরের উপরের অংশ সামনের দিকে হেলিয়ে দিতে হবে। শরীরটা এমন ভাবে ঝোঁকাতে হবে, যাতে বুক ঊরুতে গিয়ে ঠেকে। মাথা ম্যাটের উপরে ঠেকিয়ে হাত দু’টি সামনের দিকে প্রসারিত করে দিতে হবে। শ্বাস স্বাভাবিক রেখে ওই ভঙ্গিতে ৩০ সেকেন্ড থেকে আগের অবস্থানে ফিরে আসতে হবে। এই আসন অন্তত তিন সেট করতে হবে।