Advertisement
E-Paper

৪৮ ঘণ্টা আগে ফুটে ওঠে কিছু লক্ষণ, হার্ট অ্যাটাকের ঠিক দু’দিন আগে কী ভাবে ইঙ্গিত দেয় শরীর?

অনেক সময় হার্ট অ্যাটাক হলেও ঠিক ভাবে বোঝা যায় না। তার আগেই হয়ে যায় ব্যাপক ক্ষতি। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, অ্যাটাক হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকেই কিছু উপসর্গ ফুটে ওঠে শরীরে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০১
Cardiologists symptoms your body gives 48 hours prior Heart Attack

হৃদ্‌রোগের দিন দুয়েক আগে কী কী লক্ষণ দেখা দেয়? ফাইল চিত্র।

হার্ট অ্যাটাক হওয়ার অনেক আগে থেকেই শরীরে কিছু লক্ষণ ফুটে ওঠে। ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে এমন কিছু উপসর্গ দেখা দেয়, যা সাধারণ বলেই ভ্রম হয় অনেকের। অথচ সেই উপসর্গগুলিই আসলে সতর্কবার্তা। সেগুলি চিনে নেওয়া জরুরি।

হৃদ্‌রোগ অনেক সময়েই বলেকয়ে আসে না। হার্টের ধমনীতে নিঃশব্দে রক্ত জমাট বাঁধছে কি না, তা বোঝে কার সাধ্য! রক্ত জমাট বেঁধে হৃৎস্পন্দন পুরোপুরি বিগড়ে যাওয়ার আগে সতর্ক হতেই হবে। হার্টের চিকিৎসক সুশান মুখোপাধ্যায়ের মতে, যাঁদের পরিবারে উচ্চ কোলেস্টেরল ও হৃদ্‌রোগের ইতিহাস আছে, তাঁদের সতর্ক থাকতেই হবে। আবার রক্তচাপের হেরফের যাঁদের বেশি হয়, ডায়াবিটিস আছে, তাঁদেরও সতর্ক থাকা জরুরি।

হার্ট অ্যাটাকের আগে বুকে ব্যথার চেয়েও বেশি চাপ অনুভব করেন মানুষ। খেয়াল রাখুন, বুক, ঘাড়, চোয়াল, বা তলপেটে কোনও চাপ আসছে কি না। শুধু বুক নয়, হাত ও ঘাড়েও একটানা ব্যথা, মাথা ঘোরা ও বমি ভাব থাকলে সতর্ক হতে হবে।

চিকিৎসক জানাচ্ছেন, হৃদ্‌রোগ হওয়ার দিন দুয়েক আগে থেকে একটি লক্ষণ বেশি রকম স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সেটি হল বিশ্রামরত অবস্থাতেও বুক ধড়ফড় করা। বিশ্রাম নেওয়ার সময় একজন সুস্থ, পূর্ণবয়স্ক মানুষের হৃৎস্পন্দনের হার হওয়া উচিত প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে ৮০ বার। কিন্তু সেটা ১০০ ছাড়িয়ে গেলে বুঝতে হবে, শরীরে কোনও সমস্যা হচ্ছে। হৃৎস্পন্দনের হার খুব কমে যাওয়া অথবা খুব বেড়ে যাওয়া মানেই তা ক্ষতিকর। অনিয়মিত হৃৎস্পন্দনকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় ‘কার্ডিয়াক অ্যারিদমিয়া’ বলা হয়। অ্যারিদমিয়া হার্টের উপরের প্রকোষ্ঠ অ্যাট্রিয়া বা নীচের প্রকোষ্ঠ ভেনট্রিক্‌লগুলিতে দেখা দিতে পারে। যাঁদের সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মাত্রার হেরফের বেশি হয়, তাঁদের বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

পেটের উপরের দিকে অস্বস্তি, বদহজম বা বুকজ্বালা হওয়ার মতো লক্ষণও দেখা দেয়। অনেকে একে অম্বল মনে করে ওষুধ খান, কিন্তু হার্টের রক্তনালিতে ব্লকেজ থাকলেও পেটে অস্বস্তি হতে পারে।

হার্ট অ্যাটাকের কয়েক দিন আগে থেকে অনেক রোগীই অনিদ্রা বা মাঝরাতে হঠাৎ শ্বাসকষ্টে ঘুম ভেঙে যাওয়ার মতো সমস্যায় ভোগেন। রাতে শুয়ে ঘাম, দমবন্ধ হয়ে আসার মতো লক্ষণ দেখা দিলেও সতর্ক হতে হবে।

অ্যাটাক যদি আচমকা আসে তা হলে তৎক্ষণাৎ রোগীকে শুইয়ে দিতে হবে। ঘাড়ে জল বা ভিজে তোয়ালে চেপে রাখতে হবে। হাতের কাছে অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ থাকলে ১৫০ মিলিগ্রামের দু’টি ট্যাবলেট খাইয়ে দিন দ্রুত। এ বার জিভের তলায় সরবিট্রেট দিন। এত কিছুর সঙ্গে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।

Heart Attack Risk Heart Health
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy