Advertisement
E-Paper

হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়, তীব্র যন্ত্রণা অস্ত্রোপচারের পরেও! কী ভাবে যত্ন নিয়েছিলেন চিত্রাঙ্গদা?

হাঁটুর যন্ত্রণা, লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার পরে অস্ত্রোপচার হয়। সপ্তাহ দুয়েক হাসপাতালেও ভর্তি ছিলেন। শারীরিক ও মানসিক নানা যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যান অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিং। কী ভাবে অস্ত্রোপচার পরবর্তী সময়ে শরীরের যত্ন নেন তিনি?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:৩৭
Chitrangda Singh talks about recovery of ACl surgery

অস্ত্রোপচারের পরে কেমন ছিল ডায়েট, কী ভাবে নিজের খেয়াল রাখেন? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

নাচের মহড়া চলাকালীন হাঁটুতে আঘাত লাগে। পরে সেখানকারই লিগামেন্ট ছিঁড়ে গিয়ে হাঁটাচলা বন্ধ হয়ে যায় বলিউড অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিংয়ের। অভিনেত্রী এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, নিদারুণ যন্ত্রণা সইতে হয় তাঁকে। অস্ত্রোপচার করানোর পরেও শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা ছিল প্রবল। সেই সময়ে শরীরের খেয়াল রাখতে হত। খাওয়াদাওয়াতেও অনেক বদল নিতে হয়েছিল। কী ভাবে অস্ত্রোপচার পরবর্তী উৎকণ্ঠা কাটিয়ে উঠেছিলেন, সে বিষয়ে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

মুম্বইয়ের এক হাসপাতালে হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হয় চিত্রাঙ্গদার। ‘এসিএল সার্জারি’ করাতে হয়। হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেলে এমন অস্ত্রোপচার হয়। ছিঁড়ে যাওয়া লিগামেন্ট ও তার চারপাশের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলিকে অন্য সুস্থ কোষ দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়। এই অস্ত্রোপচারের পরে সপ্তাহ দুয়েক হাসপাতালে থাকতে হয় চিত্রাঙ্গদাকে। তার পরেও শারীরিক যন্ত্রণা ছিল প্রবল। অস্ত্রোপচার পরবর্তী মানসিক চাপ, উৎকণ্ঠাও ছিল তাঁর। প্রায় কয়েক মাস নিজেকে সামলে রাখতে হয়। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, হাঁটাচলা কম হয় বলে বিশেষ করে ডায়েট করতে হয়েছিল সেই সময়ে। মন ভাল রাখতে মেডিটেশনও করতে হত নিয়মিত।

কেমন ছিল অস্ত্রোপচার পরবর্তী খাওয়াদাওয়া?

কার্বোহাইড্রেট, যেমন ভাত বা রুটিতে রাশ টানতে হয়েছিল। ভাজাভুজি, চিনি, ময়দা, মিষ্টি জাতীয় খাবার পুরোপুরি বন্ধ করেছিলেন। চিত্রাঙ্গদা জানান, পুষ্টিবিদের পরামর্শে প্রোটিন বেশি খেতে হত তাঁকে। পেশির জোর বৃদ্ধিতে চিকেন, ডিম, নানা রকম ডাল খেতেন ওই সময়ে। সেই সঙ্গেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেতেন সয়াবিন, টোফু।

অস্ত্রোপচারের পর পরই শরীরে জলের ঘাটতি হত খুব। তাই নানা রকম স্যুপ ও তরল খাবার খেতে হত তাঁকে। সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত জল ও ডিটক্স পানীয় খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে।

লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার সার্জারি হলে এমন খাবার ডায়েটে রাখতে হয় যাতে খুব দ্রুত শরীরে কোষের পুনর্গঠন হয়। সে জন্য কোলাজেন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াই জরুরি। লেবু, আমলকি, পেয়ারা, ব্রকোলি, কুমড়োর বীজ এই ধরনের খাবার। সেই সঙ্গেই খেতে হবে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার যা শরীরের প্রদাহ নাশ করবে। সে জন্য রোজের ডায়েটে রাখতে হবে নানা রকম ছোট মাছ, বাদাম ও আখরোট। দুধের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে খেলেও উপকার হবে।

চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, যে কোনও অস্ত্রোপচারের পরেই ধূমপান বা অ্যালকোহলের নেশা বিপজ্জনক হতে পারে। সব রকম কার্বোনেটেড পানীয় থেকে দূরে থাকতে হবে। শরীর নাড়াচাড়া যেহেতু কম হয়, সে কারণে পায়ে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে। তাই পায়ের পাতা ও গোড়ালি হালকা নাড়াচাড়া করা বা সহজ কিছু স্ট্রেচিং করা যেতে পারে। অস্ত্রোপচারের পরে অনেকেই নানা উৎকণ্ঠায় ভোগেন। তাই এই সময়ে নিয়মিত শোয়ার আগে মেডিটেশন করা জরুরি। ডিপ ব্রিদিংয়ের মতো প্রাণায়াম করলে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তিও দূর হবে।

Chitrangda Singh Healthy Diet Fitness Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy