নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার বড় অসুখের প্রথম ধাপ। সূত্রপাত এর থেকেই হয় যা পরবর্তীতে গিয়ে লিভারের জটিল রোগ সিরোসিসের কারণ হয়ে ওঠে। লিভারে মেদ যত সহজে জমে, তার অপসারণ অত সহজ নয়। এর জন্য নিয়ম মেনে খাওয়াদাওয়া, শরীরচর্চার প্রয়োজন হয়। ফ্যাটি লিভারের সমস্যা পরবর্তীতে লিভারের ক্ষত বা লিভার সিরোসিসে গড়াতে পারে। তাই ফ্যাটি লিভারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুধু ডায়েট করলেই চলবে না, সেই সঙ্গে নিয়ম করে অভ্যাস করতে হবে কিছু ব্যায়াম।
পরিঘাসন বা ‘গেট পোজ়’ তেমনই এক আসন যা রোজ অভ্যাস করলে লিভার শুধু নয়, অন্ত্র ও অগ্ন্যাশয়ের জটিল রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমবে। এই আসন হার্ট ও ফুসফুসের স্বাস্থ্যও ভাল রাখবে।
কী ভাবে করবেন?
১) প্রথমে ম্যাটের উপর হাঁটু মুড়ে বজ্রাসনের ভঙ্গিতে বসুন।
২) শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে ওই অবস্থাতেই হাঁটু মুড়ে রেখে শরীর তুলুন। পিঠ সোজা থাকবে।
৩) এ বার বাঁ পা আপনার বাঁ দিকে প্রসারিত করুন। ডান পা একই ভাবে থাকবে।
৪) বাঁ হাত দিয়ে বাঁ পায়ের হাঁটু ধরুন। ডান হাত মাথার উপর তুলুন।
৬) এ বার কোমর থেকে দেহের উপরের অংশ ধীরে ধীরে বাঁ দিকে হেলিয়ে দিন। বাঁ হাত দিয়ে যতটা সম্ভব বাঁ পায়ের হাঁটু স্পর্শ করার চেষ্টা করুন।
৭) এ বার একই ভাবে ডান পা বাইরের দিকে প্রসারিত করে ব্যায়ামটি করুন।
৮) ক্রমান্বয়ে বাঁ পা ও ডান পায়ে আসনটি করতে হবে ৩০ সেকেন্ড ধরে।
আরও পড়ুন:
উপকারিতা:
লিভারের সমস্যা দূর হবে রোজ আসনটি অভ্যাসে।
ফ্যাটি লিভারর সমস্যা থাকলে তা ধীরে ধীরে নির্মূল হবে।
সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভাল হবে। পেশির জোর বাড়বে।
হার্টের স্বাস্থ্য ভাল থাকবে আসনটি করলে।
ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভাল রাখতেও আসনটি উপকারী। হাঁপানি বা সিওপিডি থাকলে আসনটি করলে উপকার পাবেন।
কারা করবেন না?
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় আসনটি না করাই ভাল।
কম রক্তচাপ বা ভার্টিগোর সমস্যা থাকলে আসনটি করবেন না।
স্লিপ ডিস্কের সমস্যা থাকলে আসনটি করা যাবে না।