পাউরুটির ভিতরে মোটা পরতে চিজ় স্লাইস থাকলে তার স্বাদই অন্য রকম হয়। বাঙালি বাড়িতেও এখন নানা রকম ‘ফিউশন’ খাবার রাঁধা হয়। তাতেও চিজ় গ্রেট করে দিতে হয়। এমন চিজ় সাধারণত দোকান থেকেই কেনা হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে খাদ্যপণ্যে ভেজাল মেশানোর যে গুরুতর অভিযোগ উঠছে নানা দিকে, তাতে দোকান থেকে কেনা চিজ় বা প্রসেসড খাবার খাওয়া ভয়ের কারণই হয়ে উঠেছে। গত বছরই পুণের কিছু জায়গায় জটিল স্নায়বিক রোগ গিলেন-বারি সিনড্রোমে অনেকের আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। সে ক্ষেত্রেও ভেজাল দুধ, পনির ও চিজ় থেকেই রোগ ছড়িয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। তাই কেনা নয়, চিজ়ও তৈরি করে নেওয়া যায় বাড়িতেই। উপকরণ সামান্য, প্রণালীও কঠিন নয়।
ঘরে চিজ় তৈরির প্রণালী
উপকরণ
৫০০ মিলিলিটার দুধ
১ চামচ ভিনিগার
১ চামচ মাখন
২-৩ চামচ ছানার জল
স্বাদমতো নুন
এক চিমটে হলুদগুঁড়ো
১ চামচ আগর আগর পাউডার (চিজ় জমাট বাঁধতে সাহায্য করে)
আরও পড়ুন:
প্রণালী
একটি বড় পাত্রে দুধ কম আঁচে গরম করুন। খুব বেশি ফোটাবেন না। এ বার তাতে ভিনিগার মেশান ও আলতো হাতে নাড়তে থাকুন যত ক্ষণ না দুধ কেটে ছানা তৈরি হয়। ছানাটি ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিন এবং ঠান্ডা জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন। এর পর চেপে অতিরিক্ত জল বার করে দিন। জল ঝরানো ছানা ব্লেন্ডারে নিয়ে তাতে মাখন, ছানার জল, আধ কাপ দুধ, স্বাদমতো নুন ও হলুদগুঁড়ো দিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিন। এই মিশ্রণে এ বার আগর আগর পাউডার মেশান। মাঝারি আঁচে টানা ৩-৪ মিনিট এটি নাড়তে হবে। এর পর নামিয়ে একটি বেকিং ট্রে-তে ছড়িয়ে দিন। ঠান্ডা হলে ফ্রিজে রেখে দিন। তাতেই জমে চিজ় হয়ে যাবে।
ঘরে তৈরি চিজ়ে দোকানের মতো কোনও পাম অয়েল বা প্রিজ়ারভেটিভ থাকবে না। কৃত্রিম রং বা ফ্লেভার মেশানোও হবে না। তাই চিজ় স্বাস্থ্যকর ও সহজে হজমও হবে। ক্যালোরি বেড়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না। ছোটদেরও নিশ্চিন্তে খাওয়াতে পারেন ঘরে তৈরি চিজ়।