ওজন ঝরানোর জন্য খাওয়াদাওয়ায় রাশ টানছেন। শুরু করেছেন যোগাসনও। কিন্তু তার পরেও কিছু বাকি থেকে যাচ্ছে কি? সেই বাকি থাকা কাজটি করতে সাহায্য করবে ডিটক্স পানীয়। যোগাসন করলে পেশির স্ট্রেচিং হয়, এর জন্য আলাদা করে স্ট্রেচিং করারও প্রয়োজন হয় না। তাই যোগাসন এখন অনেকেরই পছন্দ। তবে যোগব্যায়াম করারও নিয়ম আছে। এর সুফল পেতে হলে সঠিক খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা জরুরি। খালি পেটে যোগাসন করা সবচেয়ে ভাল হলেও অনেকের পক্ষেই তা সম্ভব হয় না। সে ক্ষেত্রে ডিটক্স পানীয় খেলে উপকার হবে বেশি।
কোন কোন ডিটক্স পানীয় পান করলে উপকার হবে?
তুলসী-কাঁচা হলুদের ডিটক্স
৫-৬টি তুলসীপাতা, হাফ ইঞ্চি কাঁচা হলুদকুচি ও সামান্য গোলমরিচ নিয়ে নিন। দু’কাপ জলে হলুদ ও তুলসীপাতা দিয়ে ভাল ভাবে ফোটান। জল লালচে-হলুদ রঙের হয়ে গেলে নামিয়ে ছেঁকে নিন। এ বার গোলমরিচগুঁড়ো মিশিয়ে দিন। এই পানীয় ওজন কমাতে সাহায্য করবে।
আরও পড়ুন:
আপেল-দারচিনির ডিটক্স
একটি গোটা আপেল ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে। এ বার একটি কাচের জারে জল নিয়ে আপেল টুকরো ও ২-৩টি দারচিনির স্টিক ফেলে দিন। তাতে কিছু পুদিনা পাতাও মেশাতে পারেন। ঘণ্টা দুয়েক জারটি ফ্রিজে রেখে দিলেই তৈরি হয়ে যাবে ডিটক্স পানীয়। এই জল ওজন কমাবে, পাশাপাশি রক্তে শর্করার মাত্রাও কমাবে।
পুদিনা, ধনেপাতার রস
ব্লেন্ডারে একমুঠো ধনে এবং পুদিনাপাতা একসঙ্গে দিয়ে ভাল করে বেটে নিন। এ বার ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিয়ে খালি পেটে খেয়ে নিন। প্রয়োজনে সামান্য মধু এবং লেবুর রসও মিশিয়ে নিতে পারেন।
পালংশাকের ডিটক্স
পালংশাক এক কাপ, আধ কাপ ধনেপাতা, দুই থেকে তিন আঁটি পার্সলে, একটি আমলকি নিতে হবে। সমস্ত উপকরণ ভাল করে ধুয়ে নিয়ে মিক্সারে ভাল করে মিশিয়ে নিন। থকথকে একটি মিশ্রণ তৈরি হবে। সেটি ছেঁকে নিতে হবে। এই পানীয়ের সঙ্গে এক চিমটে নুন ও পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেয়ে নিন। রোজ সকালে খেলে শরীর থেকে টক্সিন বা দূষিত পদার্থ বেরিয়ে যাবে।