Advertisement
E-Paper

ফুচকা দেখলেই জিভে জল আসে? টক জলেই লুকিয়ে বিপদ! বর্ষায় বাসা বাঁধতে পারে পেটের অসুখ

ফুচকার জলেই বাসা বাঁধে ই কোলাই। তা অন্ত্রে গেলেই শুরু হয় মোচড় দেওয়া। বর্ষার মরসুমে খাওয়ার আগে কোন নিয়ম মানা জরুরি?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২১ জুন ২০২৬ ১৯:৫১
ফুচকা খাচ্ছেন এই বর্ষায়। কী কী হতে পারে?

ফুচকা খাচ্ছেন এই বর্ষায়। কী কী হতে পারে? ছবি:সংগৃহীত।

এই গরম। আবরা মুষলধারে খানিক বৃষ্টি হয়ে গেলেই সব ঠান্ডা। এমন পরিবেশেই তো মন চায় ঝাল-টক ফুচকা, চুরমুরের স্বাদ। নামী-দামি রেস্তরাঁর বাহারি খাবার যতই থাক, রাস্তার ধারের পুদিনাপাতা বা তেঁতুলগোলা জল ভরা ফুচকার স্বাদ যেন তুলনাহীন। সেই স্বাদেই মজে আট থেকে আশি! আবার সেই স্বাদের জন্যই পেটের রোগ।

বর্ষার মরসুম মানে ভ্যাপসা গরম। বৃষ্টি হলে খানিক গরম কাটে বটে, তবে আর্দ্রতার মাত্রা থাকে যথেষ্ট। গরমকাল তো বটেই, বর্ষাকালেও বাড়ে পেটের অসুখ। আর নেপথ্যে থাকে অপরিশোধিত জল।

খেয়াল করলে দেখা যাবে, বৃষ্টির মরসুমে, ফুচকাওয়ালার টক জলের খোলা হাঁড়িতেই বর্ষার জল পড়ছে। যে হাত দিয়ে তিনি টাকা নিচ্ছেন, সেই হাত দিয়েই পরক্ষণে জলে ডুবিয়ে ফুচকা বিলি করছেন। ঠাণে নিবাসী পেটের চিকিৎসক মণীশ দদমানি বলছেন, বিপদ লুকিয়ে ওই জলেই। কারণ, পুদিনা, ধনেপাতা, কাঁচালঙ্কা মেশানোর সময় তা জলে ধুয়ে নেওয়া হয় না। টক জল তৈরি করা অপরিচ্ছন্ন হাতেই। তার উপর মরসুমের কারণে উষ্ণতা এবং আর্দ্রতা থাকেই। সব মিলিয়ে রাস্তার ধারে গরমে থাকা ওই জলে বাসা বাঁধে জীবাণু। সেই জল পেটে গেলেই শুরু হয় পেটের গোলমাল।

সাধারণত ই কোলাই ব্যাক্টেরিয়ার বৃদ্ধি বেড়ে যায় এই রকম গরম এবং আর্দ্র আবহাওয়ায়। রাস্তার ধুলো, নোংরাও মেশে খাবারে। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।

ব্যাক্টেরিয়া পেটে প্রবেশ করলে পেটে ব্যথা, পেট গুড়গুড়, গা বমি ভাব হতে পারে। কমে যেতে পারে খিদেও। তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে সংক্রমণ বাড়াবাড়ি পর্যায়ে গেলে। ডায়েরিয়া শুরু হলে দ্রুত তা থামানো প্রয়োজন। দরকার ওষুধ এবং রোগীকে নুন চিনির জল বা ওআরএস খাওয়ানোর। ডায়েরিয়া হলে শরীর থেকে জল বেরিয়ে যায়। দ্রুত যদি জলের জোগান দেওয়া না যায়, বিপদ ঘটতে পারে। বাড়াবাড়ি হলে, প্রয়োজন হতে পারে স্যালাইন দেওয়ারও।

চিকিৎসক সতর্ক করছেন ই কোলাই সংক্রমণ হলে যদি উপযুক্ত চিকিৎসা করা না হয়, পেট ব্যথা, পেটে মোচড় দেওয়া, বার বার পেটখারাপের সমস্যা হতে পারে।

কী ভাবে সতর্ক হবেন?

· বর্ষার মরসুমে ফুচকা এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। খেলেও জলটা বাদ দেওয়ার চেষ্টা করুন।

· খাওয়ার আগে হাত পরিষ্কার করা জরুরি।

· অপরিচ্ছন্ন জায়গা থেকে খাবার না খাওয়াই ভাল।

· বমি, পেটব্যথা বা অন্য কোনও শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি।

· বমি, আন্ত্রিক শুরু হলে রোগীকে দ্রুত ওআরএস অথবা নুন-চিনির জল খাওয়াতে হবে।

Health Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy