পুরুষের যে পুরুষালি ভাব তার নেপথ্য থাকে টেস্টোস্টেরন হরমোনের প্রভাব। কিন্তু ৪০ পার হলে পুরুষদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ধীরে ধীরে কমে যায়। এই বদল আচমকা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি জৈবিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আসে। হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ার ফলে দেখা দেয় বদল। সঙ্গী হয় ক্লান্তি, খিটখিটে ভাব।কমে যায় যৌন ইচ্ছাও।
বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়া স্বাভাবিক। তবে সেই মাত্রা অনেকটা কমে গেলে দৈনন্দিন জীবনযাপনে তার গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে। প্রয়োজন হতে পারে হরমোন থেরাপিরও। সেই পরিস্থিতি যাতে না আসে তারই উপায় জানালেন চিকিৎসক ভ্যাসিলি ইলোপোলাস।
আরও পড়ুন:
১। সকালের নরম রোদে হাঁটতে হবে আধ ঘণ্টা। রোদ লাগলে শরীর তার নিজস্ব ঘড়ি অনুযায়ী চলতে থাকে। রোদ ইঙ্গিত দেয়, এখন কাজের সময়। তা ছাড়া, রোদ লাগলে স্ট্রেস হরমোন বলে পরিচিত কর্টিসলের মাত্রাও বাড়তে পারে না। কর্টিসল হরমোন মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেলে টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণ কমতে থাকে।
২।ওজন নিয়ে শরীরচর্চা করারও পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক। ওজন নিয়ে সঠিক কায়দায় ব্যায়াম করলে শুধু পেশি সবল হয় না টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণও ঠিক থাকে। তা ছাড়া, ৪০-এর পর থেকে পেশি ক্ষয়ে যাওয়ার সমস্যাও শুরু হয়। শরীরচর্চায় এমন সমস্যা এড়ানো সম্ভব।
৩। ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমের শর্ত পূরণ হয় না অনেকেরই। তারই প্রভাব পড়তে পারে হরমোনের মাত্রায়। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে নিয়ম করে কেউ ৬ ঘণ্টা করে না ঘুমোলে, টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমতে পারে। প্রতি দিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমোনো খুব জরুরি।
শুধু এই তিন শর্তই যথেষ্ট নয়, নিয়ম করে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, ধূমপান, মদ্যপান এড়ানোও জরুরি। মানসিক ভাবে চাপমুক্ত না থাকলেও হরমোনের হেরফের হতে পারে।