দৈনন্দিন ডায়েটে শর্করার অন্যতম উৎস বাজারজাত চিনি। চিনি বেশি খেলে ক্যালোরি বাড়ে। ফলে ওজনও বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে অনেকেই স্বাস্থ্যসচেতন। বাজারের একাধিক খাবারের মোড়কেও চিনির পরিমাণ উল্লেখ করা থাকে। অনেকেই আছেন যাঁরা নতুন বছরে ‘নো সুগার ডায়েট’ শুরু করেছেন। সুগার ফ্রি খাবার ও পানীয় এখন সহজলভ্য। কিন্তু পরিচিত এমন কিছু খাবার রয়েছে, যার মধ্যে চিনি আছে কি না, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। অজান্তেই তাই বাড়তে থাকে ক্যালোরি। জেনে নিন, চিনি খাওয়া বন্ধ করতে হলে বাজারের লিস্ট থেকে কোন কোন খাবার বাদ দিতে হবে।
১) প্রাতরাশে অনেকেই নিয়মিত কর্নফ্লেক্স, মুসলি, গ্র্যানোলা বার, ইনস্ট্যান্ট ওট্স মিক্স খেয়ে থাকেন। এই সবেতেই ভরপুর মাত্রায় চিনি থাকে, যা খেলে রক্তের শর্করার মাত্রা এক লাফে অনেকটা বেড়ে যায়। দিনের শুরুটা অতিরিক্ত চিনির সঙ্গে শুরু করলে সারাদিন মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা বে়ড়ে যায়।
২) দইয়ের মতো ইয়োগার্টও এখন বাজারে সহজলভ্য। নানা স্বাদের ইয়োগার্ট পাওয়া যায়। কিন্তু তার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। এ ক্ষেত্রে চিনি ছাড়া দই বা ইয়োগার্ট খাওয়া উচিত।
৩) ভাজাভুজির সঙ্গে টম্যাটো সস্ চলতেই পারে। কিন্তু সস্ তৈরির সময়ে তার স্বাদ বাড়ানোর জন্য অস্বাস্থ্যকর চিনি ব্যবহার করা হয়। শুধু টম্যাটো নয়, পিৎজ়া-পাস্তা সস্, টেরিয়াকি সস্, স্যালাড ড্রেসিং, বার্বিকিউ সসেও ভাল মাত্রায় চিনি থাকে। তাই সস্ কেনার আগে সচেতন হওয়া জরুরি।
৪) প্যাকেটজাত ফলের রস, স্মুদিতে এখন অনেক সময়েই ‘জ়িরো সুগার’ লেখা থাকে। কিন্তু তা সত্ত্বেও তার মধ্যে অল্প পরিমাণে চিনি থাকতে পারে। তাই বাড়িতে টাটকা ফলের রস, স্মুদি বানিয়ে খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ। তরল রূপে চিনি সবচেয়ে বেশি লিভারের ক্ষতি করে।
৫) বাজারে ‘স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স’-এর নামে প্রোটিন বার, বেক্ড চিপ্স, ফ্লেভর্ড মাখানার মতো বিকল্প রয়েছে। তবে এইগুলি কিন্তু আদতে স্বাস্থ্যকর নয়, এগুলিতেও চিনি মেশানো থাকে।