Advertisement
E-Paper

শিশুর হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট থাকলে সব খাওয়াদাওয়ায় নজর দিতে হবে, কী কী খাওয়াবেন ও কী নয়?

হাঁপানি, শ্বাসকষ্টের সমস্যা অনেক শিশুরই থাকে। ঋতু বদলের সময়ে ব্রঙ্কাইটিস বা টনসিলের সমস্যাতেও ভোগে তারা। এমন ক্ষেত্রে শিশুর খাওয়াদাওয়ায় বাড়তি নজর দিতে হবে। কী কী খাওয়াবেন ও কী পরিমাণে, তা জেনে রাখা জরুরি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:৩৪
হাঁপানি থাকলে কেমন হবে শিশুর ডায়েট, কী কী খাওয়াবেন?

হাঁপানি থাকলে কেমন হবে শিশুর ডায়েট, কী কী খাওয়াবেন? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

দূষণ যে ভাবে বাড়ছে, তাতে হাঁপানি আরও প্রবল ভাবে জেঁকে বসছে। হাঁপানির কষ্টে ভোগেন সারা বছর জুড়ে, এমন মানুষের সংখ্যা অনেক। বিশেষ করে ছোটদের কষ্ট আরও বেশি। পাঁচ থেকে দশ বছরের শিশুর যদি হাঁপানি থাকে, অথবা ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা দেখা দেয়, তা হলে খাওয়াদাওয়ায় বিশেষ নজর দিতে হবে। মিউকাসের মাত্রা বাড়িয়ে দেবে, এমন খাবার খাওয়া ঠিক নয়। তাই অভিভাবকদের জেনে নিতে হবে, শিশুর হাঁপানি থাকলে কী কী খাওয়াবেন ও কী নয়।

ভাইরাসের সংক্রমণে শিশুদের শ্বাসনালি, ফুসফুসে এক রকম সংক্রমণ হয়, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয় ‘ব্রঙ্কিয়োলাইটিস’। রেসপিরেটরি সিনসিটিয়াল ভাইরাস (আরএসভি)-এর সংক্রমণে এই রোগ হতে পারে। যে শিশু আগে থেকেই হাঁপানিতে ভুগছে বা যাদের অ্যালার্জির ধাত আছে, তাদের ক্ষেত্রে সংক্রমণের আশঙ্কা বেশি। তবে চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সঠিক ডায়েটে রোগের তীব্রতা নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে।

কী কী খাওয়াবেন শিশুকে?

দিনে পাঁচ থেকে ছ’বার অল্প অল্প করে খাওয়াতে হবে। এক বারে বেশি পরিমাণে খাওয়ালে ফুসফুসে চাপ পড়তে পারে।

ঘুম থেকে ওঠার পর এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ জলে এক চামচ মধু ও ২-৩টি তুলসি পাতার রস মিশিয়ে খাওয়ালে সর্দি-কাশি কমবে।

সকালের জলখাবারে ওট্‌সের পরিজ়, সুজির উপমা বা রাগির আটার রুটির সঙ্গে এক বাটি সব্জি খেতে পারে শিশু। দুধে অ্যালার্জি থাকলে, ছানা বা দই দিতে পারেন। সঙ্গে একটি ডিম সেদ্ধ। জলখাবারে প্রোটিন ও ফাইবার থাকলে, তা শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি করবে, প্রদাহ কমাবে।

দুপুরের খাওয়াও হবে প্রোটিন সমৃদ্ধ ও সহজপাচ্য। অল্প পরিমাণে ভাত, সঙ্গে ডাল, সব্জি, ছোট মাছ বা চিকেনের স্ট্যু। পেঁপে, লাউ, ব্রকোলি, গাজর, বিনের মতো সব্জি খাওয়াতে পারেন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে।

বাদামে অ্যালার্জি না থাকলে বিকেলের স্ন্যাক্সে কয়েকটি ভেজানো কাঠবাদাম দিতে পারেন। সঙ্গে আপেল বা পেয়ারা।

রাতের খাবার খুব হালকা হবে। সব্জি দিয়ে খিচুরি বা চিকেন স্যুপ। রুটি খেলে একটি রুটি ও সঙ্গে সব্জি। রাতের খাবার ৮টার মধ্যে সেরে নিতে হবে।

রাতে শোয়ার আগে গরম দুধে এক চিমটে হলুদ মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন।

বাবা-মায়েরা যা যা খেয়াল রাখবেন

ফ্রিজের জল, আইসক্রিম, নরম পানীয় খাওয়াবেন না। খুব গরম বা অত্যধিক ঠান্ডা খাবার দেবেন না।

ছোট মাছ, তিল, কাঠবাদাম, আখরোট ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। এমন খাবার শ্বাসনালির প্রদাহ কমাতে পারে।

ম্যাগনেসিয়াম ফুসফুসের পেশিকে শিথিল করতে সাহায্য করে। পালং শাক, কুমড়োর বীজ, সূর্যমুখীর বীজ খাওয়াতে পারলে ভাল হয়।

ভিটামিন সি এবং ই আছে এমন খাবার দিতে হবে। লেবু, আমলকি, পেয়ারা, ব্রকোলি রাখতে হবে রোজের ডায়েটে।

প্যাকেটজাত ফলের রস, কেনা হেল্‌থ ড্রিঙ্ক ও যে কোনও রকম জাঙ্ক খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

Asthma Healthy Diet Child Health
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy