দীর্ঘ দিন সুস্থ ভাবে বাঁচতে চান সকলেই। কিন্তু এই সহজ কাজটিই বড় কঠিন হয়ে ওঠে। পরিবেশ দূষণ, খাওয়াদাওয়া, যাপনের নয়া অভ্যাস চটজলদি মানুষকে জরা, ব্যাধি, রোগে জীর্ণ করে তুলছে। কিন্তু নিউ ইয়র্ক নিবাসী ইন্টারনাল মেডিসিনের চিকিৎসক টিম টিউট্যান বলছেন দীর্ঘায়ু পাওয়ার জন্য জটিল নিয়ম নয়, ছোট ছোট বদল আনলেই হবে। ২০২৬ সালে সুস্থ ভাবে দিন কাটানোর পাঁচটি সহজ অভ্যাসের কথা বলেছেন সমাজমাধ্যমে।
১. পর্যাপ্ত ঘুম: স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার জন্য প্রথম শর্ত হিসেবে ঘুমোনোর কথা বললেন চিকিৎসক। রোজ ৭-৮ ঘণ্টার গভীর ঘুম শরীরের জন্য অতি প্রয়োজন। ঘুম ভাল হলে শরীর নিজেই নিজেকে সারিয়ে তোলে। কম ঘুম হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, ক্লান্তি বাড়ে, মনও ভাল থাকে না। তাই যত ব্যস্ততাই থাকুক, ঘুমকে অবহেলা করবেন না।
স্বাস্থ্যকর অভ্যাস তৈরি করার টিপ্স। ছবি: সংগৃহীত।
২. ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে সময় কাটানো: পরিবার, বন্ধু বা পছন্দের মানুষদের সঙ্গে গল্প করা, হাসি-ঠাট্টা করা, সময় কাটানো দরকার। তাতে যে কেবল মন ভাল থাকে, তা-ই না, শরীরও সুস্থ থাকে। একা একা থাকলে ধীরে ধীরে মনখারাপ আর মানসিক চাপ বেড়ে যায়। কাছের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ থাকলে জীবনের ভার অনেকটা হালকা হয়। তাতে সুস্থ থাকার কাজও যেন অনেকটা সহজ হয়ে যায়।
৩. স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া: রোজের খাবারে যথাসম্ভব শাকসব্জি, ফল আর ঘরে বানানো খাবার রাখা দরকার। অতিরিক্ত ভাজাভুজি, মিষ্টি বা বাইরের খাবার শরীরের ক্ষতি করে। ভাল খাওয়াদাওয়ার অভ্যাস অসুখের ঝুঁকি কমায়।
৪. শরীরকে সচল রাখা: ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যায়াম না করলেও চলবে। রোজ একটু হাঁটা, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করা, হালকা শরীরচর্চা— দীর্ঘ দিন সুস্থ থাকার জন্য এগুলিই যথেষ্ট। শরীর সক্রিয় থাকলে রক্তচাপ, শর্করা আর হার্টের সমস্যা অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে থাকে।
৫. মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হওয়া: মন ভাল না থাকলে শরীরও ভাল থাকে না। দুশ্চিন্তা, ভয় বা মনখারাপ জমে থাকলে তা শরীরে প্রভাব ফেলে। চিকিৎসকের পরামর্শ, দরকার হলে মনোচিকিৎসকের সাহায্য নিতে দ্বিধা করবেন না।