কতরকমেরই মিল্কশেক খেয়ে থাকেন বন্ধুদের সঙ্গে ক্যাফের আড্ডায়। অনেকে সময় হাতে পেলে বাড়িতেও বানিয়ে ফেলেন নানা স্বাদের মিল্কশেক। তেমনই এক মিল্কশেক হল মাস্কমেলন বা ফুটির মিল্কশেক। স্বাদে এবং পুষ্টিগুণে এই মিল্কশেক চেনা পরিচিত পানীয় গুলির থেকে অনেকটাই আলাদা। গরম পড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্যে কাঠফাটা রোদে কাবু হচ্ছেন মানুষ। এই সময়টায় বাজারে ফুটি প্রচুর পাওয়া যায়। সারা দিন শরীরকে আর্দ্র রাখতে সেই ফুটি দিয়েই বানিয়ে নিন মিল্কশেক।
কী ভাবে বানাবেন?
উপকরণ:
পাকা ফুটি: ২ কাপ (কিউব করে কাটা)
ঠান্ডা দুধ: ১ গ্লাস (আগে জ্বাল দিয়ে ঘন করে নেওয়া)
চিনি বা মধু: স্বাদমতো
বরফ কুচি: প্রয়োজন অনুযায়ী
এলাচ গুঁড়ো বা ভ্যানিলা এসেন্স: সামান্য (সুন্দর গন্ধের জন্য)
বাদাম কুচি: সাজানোর জন্য
প্রস্তুত প্রণালী:
খোসা ও বীজ ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে নিন। ব্লেন্ডারে ফুটির টুকরো, ঠান্ডা দুধ এবং মধু বা গুড় দিয়ে দিন। মিশ্রণটি মসৃণ না হওয়া পর্যন্ত ভালো করে ব্লেন্ড করুন। এবার সামান্য এলাচ গুঁড়ো এবং বরফ কুচি দিয়ে আরেকবার ব্লেন্ড করে নিন। গ্লাসে ঢেলে উপরে বাদাম কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
উপকারিতা
১. ফুটিতে প্রচুর জল থাকে, যা গরমে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।
২. এতে থাকা ভিটামিন সি এবং এ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে।
৩. ফুটিতে ডায়েটারি ফাইবার থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং হজম প্রক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে।
৪. এতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
৫. ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে এবং ত্বককে উজ্জ্বল করে।
কখন খাওয়া যেতে পারে?
ফুটির মিল্কশেক খাওয়ার সেরা সময় হলো:
১. সকালে প্রাতরাশের সঙ্গে। সারাদিনের এনার্জি পেতে এবং পেট ভরা রাখতে এটি দারুণ কার্যকর
২. ওয়ার্কআউট বা ভারী ব্যায়াম করার পর শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও জলের জোগান দিতে সাহায্য করে।
৩.দুপুরের খাবার খাওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে বা বিকেলেও এটি খাওয়া যেতে পারে। তবে রাতে ঘুমানোর আগে বা ভারী খাবারের ঠিক পরপরই মিল্কশেক না খাওয়াই ভালো, এতে হজমে সমস্যা হতে পারে।