বয়স যতই হোক না কেন, রক্তল্পতা বা আয়রনের ঘাটতির মতো সমস্যা ভারতীয়দের মধ্যে খুব সাধারণ। শরীরে আয়রনের ঘাটতি থাকলে লোহিত কণিকার উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায়। আয়রনের অভাবে ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। রক্তে পর্যাপ্ত আয়রন না থাকলে সারা শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ ব্যাহত হয়।
সেই কারণেই দৈনন্দিন খাবারে আয়রন থাকা দরকার। জলখাবারে কী ভাবে সুস্বাদু খাবার খেয়েই মিটতে পারে আয়রনের ঘাটতি?
সয়াবিন রোল: সয়াবিনে প্রচুর পরিমাণে আয়রন পাওয়া যায়।পাশাপাশি, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম-সহ একাধিক খনিজ মেলে এতে। সয়াবিনের রোল বেশ সুস্বাদু। সয়াবিন নুন-জলে সেদ্ধ করে নিন। আলতো চাপে সয়াবিন থেকে জল বার করে নিন। কড়াইয়ে তেল দিয়ে রসুন কুচি, পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা, সরু করে কাটা ক্যাপসিকাম অল্প নুন দিয়ে নাড়াচাড়া করে নিন। সেদ্ধ করা সয়াবিন যোগ করুন। সয়া সস্ দিন অল্প। গোলমরিচ, ধনেগুঁড়ো দিয়ে সবটা হালকা নাড়াচাড়া করে নিন। আটার রুটির মধ্যে সয়াবিন ভরে রোল করে নিন। চাইলে চিজ়ও যোগ করতে পারেন। পেট ভরবে, স্বাদের সঙ্গে আপোস করতেও হবে না।
আরও পড়ুন:
বিটের পরোটা: বিট বেটে তা দিয়েই আটা মেখে নিন। যোগ করুন পেঁয়াজ কুচি, কাঁচালঙ্কা, ধনেপাতা, জোয়ান। ময়ান দিয়ে আটা মেখে পরোটা বেলুন। অল্প তেলে উল্টে-পাল্টে সেঁকে নিন। রায়তা বা তরকারি দিয়ে পরোটা খান। পরাটোয় মেলে ফোলেট বা ভিটামিন বি৯ যা লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। রক্তাল্পতার মতো সমস্যা থাকলে বিট খাওয়াও দরকার।
পালং অমেলট: ডিম এবং পালং শাক দুইয়েই মেলে আয়রন। পালংশাক ধুয়ে নিন। কড়াইয়ে তেল দিয়ে পালংশাক ভাপিয়ে নিন। অল্প রসুন আর নুন দিয়ে নাড়াচাড়া করে তুলে রাখুন। ডিম ফেটিয়ে অমলেট বানান, পুর হিসাবে ভিতরে দিন পালংশাক। চাইলে চিজ়ও জুড়তে পারেন। পেঁয়াজ, গোলমরিচ ছড়িয়ে অমলেট দুই ভাঁজে মুড়ে দিন।