Advertisement
E-Paper

প্রায় ১৫ হাজার পা হাঁটেন রোজ! বিশেষ কৌশলে লক্ষ্যভেদ করেন মন্দিরা, অনুসরণ করতে পারেন আপনিও

অভিনেত্রী তথা সঞ্চালিকা মন্দিরা বেদী দিনে প্রায় ১২-১৫ হাজার পা হাঁটেন। তবে লক্ষ্যভেদ করার জন্য বিশেষ এক প্রকার কৌশল অবলম্বন করেন তিনি। রইল সেই টোটকা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২৬ ২০:৪৮
মন্দিরা বেদীর ফিটনেস যাত্রা।

মন্দিরা বেদীর ফিটনেস যাত্রা। ছবি: সংগৃহীত।

ফিট থাকার জন্য প্রতি দিন জিমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাতেই হবে, এমন ধারণায় বদল আসছে। বরং ছোট ছোট অভ্যাসেই কী ভাবে সারা দিন নিজেকে সক্রিয় রাকা যায়, তার জন্য সচেষ্ট হচ্ছেন অনেকে। একাধিক তারকা সে বিষয়ে অনুপ্রেরণা দেওয়ায় সাধারণেরাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। তা সে মিলিন্দ সোমন হোন বা এমা স্টোন। সম্প্রতি অভিনেত্রী তথা সঞ্চালিকা মন্দিরা বেদীও জিমের বদলে রোজ হাঁটাহাঁটি করে সুস্থ থাকার কথা প্রচার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দিনে প্রায় ১২-১৫ হাজার পা হাঁটেন। তবে লক্ষ্যভেদ করার জন্য এক বারে ১৫ হাজার পদক্ষেপ সম্পূর্ণ করেন না। বরং সারা দিনে ছোট ছোট উপায়ে হাঁটার অভ্যাস বজায় রাখেন। যাঁরা হেঁটে সুস্থ থাকতে চান অথবা যাঁরা কিছুতেই নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছোতে পারেন না, তাঁদের জন্য মন্দিরার এই কৌশল উপকারী হতে পারে।

রোজ হাঁটাহাঁটি করে সুস্থ থাকার কথা প্রচার করেছেন মন্দিরা।

রোজ হাঁটাহাঁটি করে সুস্থ থাকার কথা প্রচার করেছেন মন্দিরা। ছবি: সংগৃহীত

অভিনেত্রীর মতে, সকালে হাঁটা তাঁর রোজের রুটিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দিনের শুরুতেই কিছুটা হেঁটে নিলে শরীর ও মন দু’টিই সক্রিয় থাকে। অনেকেই মনে করেন, সকাল সকাল হাঁটলে তা রক্তসঞ্চালন বাড়াতে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে প্রায় ১০ হাজার পা হেঁটে নেন মন্দিরা। তার পর সারা দিনে ২-৫ হাজার পা হেঁটে নেন। দুপুরে খাবার খাওয়ার পর ১০ মিনিট হাঁটাহাঁটি করেন সঞ্চালিকা। খাওয়ার পরে কিছুটা হাঁটার অভ্যাসও তিনি বজায় রাখেন বলে হজমের সমস্যা থেকে মুক্ত থাকেন। চিকিৎসকদের মতে, সকলেরই খাওয়ার পরে অল্প হাঁটা উচিত। এই অভ্যাস হজমে সাহায্য করতে পারে এবং রক্তে শর্করার ওঠানামা নিয়ন্ত্রণেও উপকারী হতে পারে।

শুধু তা-ই নয়, জিমে না গিয়ে বসার ঘরেই হাঁটাহাঁটি করেন মন্দিরা। সব সময়ে বাইরে যাওয়া সম্ভব নয় তাঁর পক্ষে। তা ছাড়া এই গরমের সময়ে অনেকে ঘরের ভিতরেই শারীরচর্চা করছেন। তাঁদের জন্য মন্দিরার টোটকা কার্যকরী হতে পারে। তিনি বাংলার ‘৪’ অথবা ইংরেজির আট সংখ্যার আকার অনুসারে ঘরের মধ্যে হাঁটার অভ্যাসও করেন। সমাজমাধ্যমে এই ধরনের ‘ফিগার এইট ওয়াক’ এখন বেশ জনপ্রিয়। অনেকে মনে করেন, এটি মনোযোগ বাড়াতে এবং ভারসাম্য রক্ষা করতেও সাহায্য করতে পারে।

Mandira Bedi Celebrity Fitness Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy