Advertisement
E-Paper

রাতে এসি চালালেই সর্দি-কাশি-অ্যালার্জি হচ্ছে? মরসুম বদলের সময় শরীর চাঙ্গা রাখতে ঘরে রাখুন একটি যন্ত্র

এখন রাতের দিকে এসি চালিয়ে শুলে আরাম হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু অন্য শারীরিক সমস্যা বাড়ছে। এই কারণে মরসুম বদলের সময় নাক বন্ধ, নাক দিয়ে জল পড়া, গলা বসে যাওয়া, অ্যালার্জির সমস্যাও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। তা হলে উপায়?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ মার্চ ২০২৬ ১১:৪৪
এসি চালালেও শরীর খারাপ হবে না, যদি ঘরে থাকে এই যন্ত্র।

এসি চালালেও শরীর খারাপ হবে না, যদি ঘরে থাকে এই যন্ত্র। ছবি: সংগৃহীত।

গরম পড়তে না পড়তেই ঘরে ঘরে চলতে শুরু করেছে এসি। রোদ থেকেই ফিরেই কনকনে ঠান্ডায় গা এলিয়ে দিয়েই শান্তি। রাতে এসি না চালালে আবার অনেকের ঘুম আসছে না। অনেকে তো আবার বলেন, গরমে এসি না চললে রাতে ঘুমই আসে না। এতে আরাম হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু অন্য শারীরিক সমস্যা বাড়ছে। এই কারণে মরসুম বদলের সময় নাক বন্ধ, নাক দিয়ে জল পড়া, গলা বসে যাওয়া, অ্যালার্জির সমস্যাও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। তা হলে উপায়?

চিকিৎসকদের মতে‌, এসি চালালেই হল না। কত তাপমাত্রায় সেটি সেট করবেন, সেটা যেমন জানা দরকার, তার পাশাপাশি আর্দ্রতার বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে বইকি। বাইরে তাপমাত্রার পারদ চড়ছে দেখে ঘরে ২৩ বা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসেই এসির তাপমাত্রা সেট করলেন। এর পরেও কিন্তু বেশি ক্ষণ এসি চললে সর্দি-কাশি, গলাব্যথার সমস্যা হতে পারে। মাথা যন্ত্রণা শুরু হয় অনেকেরই। এর কারণ হল, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রটি ঘরের তাপমাত্রা কমিয়ে দিচ্ছে ঠিকই, সেই সঙ্গে আর্দ্রতাও শুষে নিচ্ছে। ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় যে পরিমাণ আর্দ্রতা থাকা উচিত, তার অনেকটাই কমিয়ে দেয় এসি। ফলে তাপমাত্রার সঙ্গে বাতাসের আর্দ্রতার সামঞ্জস্য থাকে না। ঘরের আবহাওয়া খুবই শুষ্ক হয়ে যায়। সে কারণেই হাঁচি-কাশি, অ্যালার্জির সমস্যা বাড়ে। মাইগ্রেন বা সাইনাস থাকলে ক্ষতি আরও বেশি হয়। এই কারণে শরীরে জলের ঘাটতি হতে পারে। এসি শরীরকে ভিতর থেকে শুষ্ক করে দেয়। জল তেষ্টা না পেলেও কিন্তু জলের চাহিদা থাকে। তাই পর্যাপ্ত জল না খেলে পেশির টান ধরতে পারে। প্রচণ্ড ক্লান্তিবোধ হয়। শুষ্ক আবহাওয়ায় ‘অ্যালার্জিক রাইনিটিস’-এর সমস্যাও দেখা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে চোখ জ্বালা করবে, ড্রাই আইজ় বা শুষ্ক চোখের সমস্যা হবে, হাঁচি শুরু হলে থামবে না ,আর শুকনো কাশি খুব ভোগাবে।

একটি যন্ত্রেই হবে মুশকিল আসান

এসি চালালে ঘরে রাখুন হিউমিডিফায়ার। এই যন্ত্র ঘরের ভিতর আর্দ্রতার ভারসাম্য রক্ষা করে। ঘরের ভিতরের বাতাস বিশুদ্ধ করে। ঘরে হিউমিডিফায়ার রাখলে অক্সিজেনযুক্ত বাতাসের পরিমাণ বাড়ে। এসি যে পরিমাণ আর্দ্রতা টেনে নেয়, তার সমপরিমাণ অক্সিজেনযুক্ত বাতাস ঘরে ছড়িয়ে দিতে পারে হিউমিডিফায়ার। এসির সঙ্গে এই যন্ত্রটিও চালিয়ে রাখলে আর নাক বন্ধ হওয়া বা অ্যালার্জির সমস্যা বাড়বে না। ছোটরাও সুস্থ থাকবে। এসির কারণে শ্বাসনালির পথ শুষ্ক হয়ে যায়, ফলে হাঁপানির সমস্যা বাড়ে। যাঁদের হাঁপানি বা সিওপিডি আছে, তাঁরাও যদি ঘরে হিউমিডিফায়ার রাখেন, তা হলে শ্বাসকষ্টের সমস্যা হবে না। নাক, গলা ও ফুসফুসের সংক্রমণ থেকেও সুরক্ষিত থাকবেন।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy