Advertisement
E-Paper

চিয়া, কুমড়ো বীজ দুই-ই উপকারী, প্রোটিন-ফাইবার নিয়ে লড়াই হলে এগিয়ে থাকবে কোনটি?

চিয়া আর কুমড়োর বীজের পুষ্টিগুণ অনেকে। তবে যদি নামে সম্মুখসমরে নামে তারা, জয়ী হবে কে? স্বাস্থ্য ভাল রাখতে বেছে নেবেন কোনটি?

শেষ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৬ ১৯:৫০

এক কালে যে বীজের তেমন কদর ছিল না, এখন সেই বীজই বিক্রি হচ্ছে কৌটোবন্দি হয়ে। দাম দিয়ে বীজ কেনে নিয়ম করে তা খাচ্ছেন স্বাস্থ্যসচেতন লোকজন। গত কয়েক বছরে স্বাস্থ্য এবং পুষ্টি নিয়ে ধারণায় অনেকটাই বদল এসেছে। বদলেছে খাদ্যতালিকা। সেই তালিকায় এখন নাম থাকে চিয়া, তিসি, কুমড়ো, সূর্যমুখীর মতো বীজের। কিন্তু এত বীজের ভিড়ে বেছে নেবেন কোনটি? চিয়া আর কুমড়ো বীজ যদি সম্মুখসমরে নামে, জয়ী হবে কে?

চিয়া বীজের উপকারিতা

চিয়াবীজ ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর। এতে মেলে এএলএ বা আলফা লিনোলেনিক অ্যাসিড, যা ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের উদ্ভিজ্জ উৎস। আলফা লিনোলেনিক অ্যাসিড থাকায় চিয়াবীজ রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে পারে। সেই কারণে চিয়াবীজ হার্ট-বান্ধব। এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে কলা এবং কোষকে রক্ষা করে। ভরপুর মাত্রায় ফাইবার মেলে এতে। তা ছাড়া চিয়াবীজ জলে ভিজিয়ে খাওয়া হয়। প্রচুর জল শোষণ করে বীজ ফুলে ওঠে। ফলে তা খেলে শরীরে বেশ কিছুটা জল যায়। তবে একই সঙ্গে চিয়াবীজ খেলে বেশি জল খাওয়ারও দরকার হয়।

কুমড়োবীজের উপকারিতা

কুমড়োবীজে মেলে পেপিটাস, যা উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের অন্যতম উৎস। পেশি সবল রাখতে প্রোটিন খুব জরুরি। বিশেষত যাঁরা আমিষ খান না, তাঁদের ক্ষেত্রে কুমড়োবীজ খুবই উপকারী। কুমড়োবীজে যথেষ্ট পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম মেলে। পেশির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে এবং হার্ট ভাল রাখতে এই খনিজের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টও রয়েছে এতে। কুমড়োর বীজে থাকা জ়িঙ্ক বিপাকহারের মাত্রা ঠিক রাখতে, হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

বেছে নেবেন কোনটি

নির্ভর করবে ব্যক্তিগত চাহিদার উপরে। ওজন বশে রাখতে হলে, হার্টের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে চিয়াবীজ ভাল। এতে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে দেয় না। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভাল উৎস হল চিয়া। অন্য দিকে, পেশি সবল রাখতে হলে, ঘুমের সমস্যায় কুমড়ো বীজ ভাল। কারণ, এতে রয়েছে প্রোটিন এবং ম্যাগনেশিয়াম। ১০০ গ্রাম কুমড়ো বীজে প্রোটিন মেলে ১৯ গ্রাম, সমপরিমাণ চিয়ায় প্রোটিন থাকে ১৭ গ্রামের মতো। আবার ১০০ গ্রাম চিয়ায় ৩৪ গ্রাম ফাইবার মিললেও, কুমড়োবীজে সেই পরিমাণ ১৭-১৮ গ্রাম। যাঁর প্রোটিন দরকার তিনি কুমড়োবীজ বাছবেন, যাঁর ফাইবার দরকার তিনি খাবেন চিয়া। সকালে চিয়া ভেজানো জল খেয়ে বিকালে স্ন্যাক্স হিসাবে কুমড়ো বীজ খেতে পারেন। ১ চামচ করে দু’টিই খাওয়া যাবে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy