কর্মব্যস্ত জীবন, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপনের জটিলতা যে সব সমস্যাকে প্রকট করে তোলে, মেদবৃদ্ধি তার মধ্যে অন্যতম। সারা দিন এক জায়গায় বসে কাজ, শরীরচর্চার সময় কমে যাওয়া, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস— এ সব থেকেই এই বিপদ হানা দিতে পারে শরীরে। অনেকেই আছেন, যাঁরা কাজের চাপে রোজ সকালে জলখাবার তৈরি করার সময় পান না। আর নিয়মিত জলখাবার না খেলে ওজন তো বাড়বেই। ওজন যদি কমাতে হয় তা হলে সকালের জলখাবারে থাকতে হবে পরিমিত মাত্রায় প্রোটিন-ফাইবার-ফ্যাট। এ সব কিছুই পাওয়া যাবে স্মুদি থেকে। সকালে যা-ই খান, সঙ্গে যে কোনও একরকম স্মুদি রাখতেই হবে।
কোন কোন স্মুদি খেলে ওজন কমবে?
কলা-চকোলেটের স্মুদি
প্রথমে কিছুটা পরিমাণ ওট্স শুকনো কড়াইতে ভেজে রেখে দিন। তারপর ১/৪ কাপ ভেজে রাখা ওট্স, ১টি কলা, বীজ বের করা খেজুর ২টো, ১ চা চামচ চকোলেটের গুঁড়ো এবং সঙ্গে এক চামচ প্রোটিন পাউডার মিশিয়ে নিন। এ বার সব কিছু ব্লেন্ডারে নিয়ে ১ কাপ জল দিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন। তার পরে উপরে ড্রাই ফ্রুটস ছড়িয়ে খেয়ে নিন। অনেক ক্ষণ পেটও ভর্তি থাকবে।
আরও পড়ুন:
কাঠবাদাম-ডুমুরের স্মুদি
৫-৬টি কাঠবাদাম ভিজিয়ে রাখুন। এর সঙ্গে লাগবে ১টি শুকনো ডুমুর, ১ কাপ দুধ বা কাঠবাদামের দুধ, ১ চামচ চিয়া বীজ, আধ চামচ দারচিনি ও ১ চামচ মধু। সমস্ত উপকরণ মিশিয়ে ব্লেন্ডারে পিষে নিন। মিহি মিশ্রণ তৈরি হবে। সেটি ফ্রিজে ঘণ্টা দুয়েক রেখে দিন। এই স্মুদি নিয়ম করে খেলে শরীরে ক্যালশিয়ামের অভাব পূরণ হবে। পেশির জোরও বাড়বে।
শসা, তরমুজ ও জিরের স্মুদি
শসাতে ফ্যাট নেই। ক্যালোরির পরিমাণও কম। যাঁরা চটজলদি ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য শসা খুব উপকারী। এ ছাড়া শসাতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা বিপাকহার বাড়িয়ে ওজন ঝরাতে সহায়তা করে। তরমুজও কম ক্যালোরিযুক্ত ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে জল রয়েছে, যা শরীরের জন্য উপকারী। জিরে শরীরের হজমশক্তি বৃদ্ধি করে এবং খিদে মেটায়। তাই ওজন ঝরাতে এই স্মুদি খুবই কার্যকর।