ভাত, মাছ, ডাল, তরকারি, মুখে রোচে না। কিন্তু চিপ্স থেকে ঠান্ডা পানীয়, কার্বোনেটেড পানীয়ের প্রতি ছোটদের প্রবল আকর্ষণ। সে ব্যাপারে ‘না’ নেই। অথচ চিকিৎসকেরা বার বার বলছেন কার্বোনেটেড পানীয় মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। ছোট থেকে বড়, কারও জন্যই তা ভাল নয়। কারণ, এতে অতিরিক্ত মাত্রায় চিনি থাকে। কৃত্রিম ফ্লেভার থাকে, যা নিয়মিত বা ঘন ঘন খেলে পেটের সমস্যা হতে বাধ্য।
অথচ শিশুরা তো তা বোঝে না। বরং যেটা খেতে বারণ করা হবে, তাতেই তাদের আগ্রহ। ছেলেকে কার্বোনেটেড পানীয় থেকে দূরে রাখতে এক মজার কৌশল বার করেছিলেন শালিনী পাসি।নামী অভিনেত্রী না হলেও, বলিউড তারকাদের রূপ-সৌন্দর্যকে টেক্কা দিতে পারেন তিনি। নেটফ্লিক্সে ‘ফ্যাবিউলাস লাইভস ভার্সাস বলিউড ওয়াইভস’ সিরিজ়ে পরিচিত হয়ে ওঠা শালিনী পাসিকে নিয়ে বিগত কয়েক মাসে আলোচনা শুরু হয়েছে বি-টাউনে। বয়স ৪৯। ২৭ বছর বয়সি ছেলের মা তিনি।রীতিমতো সুন্দরী।
শালিনী সন্তান পালনের সময় থেকেই তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন ছিলেন। কিন্তু এ-ও বুঝতেন যে ছেলেকে কোনও কিছু খেতে বারণ করলে সেটাই সে খেতে চাইবে। তিনি ছেলে রবিনকে বহু দিন পর্যন্ত বুঝিয়েছিলেন কার্বোনেটেড পানীয় আসলে বাড়িতে তৈরি করা হয়। আর তার স্বাদ একেবারেই ভাল নয়। বাড়িতে কখনও জল মেশানো পানীয় খাইয়েওছিলেন। সেই স্বাদ একেবারেই ভাল না লাগায় রবিন আর এই ধরনের পানীয় খাওয়ার বায়নাই করত না।
আরও পড়ুন:
তবে এক সময় বিষয়টি অন্য ভাবে ধরা পড়ে। রবিন তখনও ছোট। মায়ের সঙ্গে পার্টিতে গিয়েছিলেন। সেখানে কার্বোনেটেড পানীয় পরিবেশন করা হচ্ছিল। তেষ্টার মুখে তিনি খেয়েও ফেলেন। আর সেই স্বাদ ভাল লাগবেই জানা কথা। তবে এর পরেও বুদ্ধি বার করেছিলেন শালিনী। ছেলেকে বলেছিলেন, এখানকার ঠান্ডা পানীয় ভাল। কিন্তু তাঁদের বাড়িরটা অতটা ভাল নয়। রবিনও তাই বুঝেছিলেন এই পানীয় আলাদা আলাদা জায়গায় তৈরি হয়।
এই ভাবেই ছোট বেলায় অস্বাস্থ্যকর পানীয় থেকে দূরে ছিলেন রবিন। তবে এক সময় সত্যি সামনে আসারই ছিল। তবে খানিকটা বড় হয়ে রবিন বুঝেছিলেন বোতলবন্দি পানীয়ের স্বাদ সব জায়গাতেই এক রকম।
তবে এই ধরনের পানীয় স্বাস্থ্যোপযোগী একেবারেই নয়। বার বার খেলে লিভার, এমনকী হার্টের ক্ষতি হতে পারে। অনেকে অম্বল, গ্যাস হলে স্বস্তি পেতে এমন পানীয়ে চুমুক দেন। তবে এতে লাভের বদলে ক্ষতি হয় বলে সতর্ক করছেন চিকিৎসকেরা।
স্ট্রিন টাইম কমাতে কিংবা অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া থেকে সন্তানকে বিরত রাখতে, মায়েদের এমন নানা টোটকা বা কৌশল থাকেই। সেই কৌশলেই প্রাথমিক ভাবে জিতে গিয়েছিলেন শালিনী।