অনেক সময়েই দেখা যায়, পুষ্টিকর খাবার খেয়েও বদহজম কমছে না। কখনও তেল, মশলা বাদ দিলেও দেখা যায় ওজনে বদল আসছে না। যেটা খাচ্ছেন তা যদি শরীরের উপযোগী না হয়, তা হলে ইঙ্গিত দেয় শরীর। উল্টোটাও কিন্তু হয়। যা খাচ্ছেন, তা যদি শরীর জন্য ভাল হয়, তাও জানান দেয় শরীর।
কানাডার নেটপ্রভাবী তথা পুষ্টিবিদ ম্যাক্স স্নাইডার জানাচ্ছেন কোন লক্ষণগুলি সুস্বাস্থ্যের ইঙ্গিতবাহী।
নির্দিষ্ট সময়ে পেট পরিষ্কার: দিনের নির্দিষ্ট সময়ে পেট পরিষ্কার হলে ধরে নিতে হবে শরীর ঠিকমতো পু্ষ্টি পাচ্ছে। ফাইবার ও জলের মাত্রা ঠিক আছে। কোষ্ঠকাঠিন্য বা অনিয়মিত মলত্যাগ সমস্যার ইঙ্গিতবাহী।
সঠিক সময়ে খিদে: সকালে ঘড়ি ধরে খিদে পাওয়া, দিনভর নির্দিষ্ট সময়ে খিদে পাওয়া পেট ভাল থাকার লক্ষণ। হজম ঠিক হলে, তবেই খিদে পায়। প্রতি দিন একই সময়ে খিদে পাওয়ার অর্থ হল, যা খাওয়া হচ্ছে তাতে খাবার পরিপাকে সমস্যা হচ্ছে না। কোনও সমস্যা থাকলে খেতে ইচ্ছা করবে না, খিদে পাবে না।
আরও পড়ুন:
বেশি খাওয়ার প্রবণতা: অনেকেরই খিদে নেই, অথচ খেয়ে ফেলার প্রবণতা থাকে। লোভনীয় খাবার দেখলেও সংযত থাকা, সুস্বাস্থ্যের নেপথ্য কারণ। খাবারে ঠিক মতো প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাট থাকলে পাল্টা খাওয়ার প্রবণতা কমে। ফলে এটিও ইঙ্গিত দেয়, পুষ্টির অভাব নেই। দৈনন্দিন ডায়েট একেবারেই ঠিক আছে।
শক্তি: দিনের কোনও সময়েই তেমন ক্লান্তি ভাব আসছে না, শরীর চনমনে, যে কোনও কাজে উদ্যম রয়েছে। এই ধরনের লক্ষণও ইঙ্গিত দেয়, পুষ্টির অভাব হচ্ছে না। কারণ, ভিটামিন বা খনিজের ঘাটতি থাকলে কোনও না কোনও ভাবে শরীর তা বুঝিয়ে দেবেই। ক্লান্তি, অবসাদ, উদ্বেগ, আলস্যই হবে সেই উপসর্গ।
খাবার বদলেও সমস্যা হচ্ছে না: দৈনন্দিন খাবারের বাইরে কখনও সখনও বাইরের খাবার খেলেও যদি হজমে সমস্যা না হয়, শরীর খারাপ না হয় বুঝতে হবে পেটের স্বাস্থ্য বা গাট হেল্থ ভাল রয়েছে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও ঠিক আছে।