Advertisement
E-Paper

‘ভ্যালি ফিভার’ কী? বিরল ছত্রাকঘটিত রোগে ক্যালিফোর্নিয়ায় মৃত্যু ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর

প্রথমে শ্বাসকষ্ট, ধীরে ধীরে শরীরের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হতে থাকে। ক্যালিফোর্নিয়ায় ভ্যালি ফিভারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক ভারতীয় যুবকের। কী এই রোগ?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ মে ২০২৬ ১৫:৪৪
Valley Fever Alert, the Soil-Borne Fungus That Took the Life of an Indian Techie

ভ্যালি ফিভার কী, কী ভাবে ছড়ায় এই রোগ? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

বিরল ছত্রাকঘটিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ায় কর্মরত ভারতীয় এক তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর। ৩৭ বছর বয়সি ওই যুবকের ফুসফুস মারাত্মক ভাবে আক্রান্ত হয়েছিল বলে খবর। তাঁর ফুসফুস ও শ্বাসনালিতে ছত্রাকের রেণু পাওয়া যায়। পরীক্ষা করে দেখা যায়, সেটি কোকসিডিয়োডিস নামে এক প্রকার ছত্রাক, যা মাটিতে জন্মালেও খুব শুষ্ক। তবে কী ভাবে এর রেণু ওই যুবকের শরীরে ঢুকেছে, তা জানা নেই। যে রোগে তিনি আক্রান্ত হয়েছিলেন, তা বিশ্বে খুব কম জনেরই হয়েছে।

রোগটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ভ্যালি ফিভার’। চিকিৎসার পরিভাষায় একে বলা হয় ‘কোকসিডিয়োইডোমাইকোসিস’। আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া ও অ্যারিজ়োনা এলাকায় এমন রোগের কথা আগে শোনা গিয়েছে।

কী ভাবে ছড়ায় ভ্যালি ফিভার?

শুষ্ক ও আর্দ্র পরিবেশে জন্মায় এই ছত্রাক। মূলত ধুলোবালি মেশানো মাটি, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে এর বিস্তার দ্রুত হয়। বাতাসে ভেসে এই ছত্রাকের রেণু ছড়িয়ে পড়ে। শ্বাসের সঙ্গে সহজেই ঢুকে পড়তে পারে শ্বাসনালি ও ফুসফুসে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার 'সান ওয়াকিন ভ্যালি' এলাকায় প্রথম এই রোগের প্রকোপ দেখা গিয়েছিল। তাই এর নাম দেওয়া হয় ভ্যালি ফিভার।

ছত্রাকের সংক্রমণ ঘটলে সাধারণ ফ্লু বা নিউমোনিয়ার মতোই উপসর্গ দেখা দেয়। রোগীর মারাত্মক শ্বাসকষ্ট হতে থাকে। শুকনো কাশি শুরু হয়। সেই সঙ্গে বুকে ব্যথা, অস্থিসন্ধিতে ব্যথা শুরু হয়। কিছু ক্ষেত্রে সারা গায়ে লালচে র‌্যাশ বেরিয়ে যায়।

ভয় কতটা?

ভ্যালি ফিভার ধরা পড়তেই অনেক দেরি হয়। উপসর্গকে সাধারণ জ্বর বা নিউমোনিয়া ভেবে অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ দেওয়া হয় অনেক সময়েই। তাতে হিতে বিপরীত হয়। ছত্রাক খুব দ্রুত ফুসফুস থেকে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ধীরে ধীরে মাল্টিঅর্গ্যান ফেলিয়োর ঘটে রোগীর।

ভারতে এই রোগের কথা তেমন ভাবে শোনা যায়নি। দক্ষিণ-পশ্চিম আমেরিকা বা মেক্সিকোর বিভিন্ন মরু অঞ্চলে এই ধরনের ছত্রাক বেশি জন্মায়। তাই ভ্রমণ বা কর্মসূত্রে সে সব জায়গায় গেলে সাবধানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজ়িজ় কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) জানিয়েছে, খুব বেশি ধুলোবালি রয়েছে বা নির্মাণকাজ চলছে, এমন জায়গায় গেলে মাস্ক পরে থাকা আবশ্যক। আর অতি অবশ্যই সে সব জায়গায় থাকলে পরিচ্ছন্নতার বিধি মানতে হবে।

Fungal Infection
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy