শত চেষ্টা করেও কখনও কখনও ইচ্ছা পূরণ হয় না। পেশাজীবনে অকারণে বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে, বাড়ি-গাড়ি কেনার ইচ্ছা থাকলেও তার সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে না— মানুষের জীবনে এমন নানা ধরনের সমস্যা রয়েছে। মনে হাজারো স্বপ্ন থাকলেও তা বাস্তবায়িত করতে পারেন না অনেকে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, ১১ দিন নিষ্ঠাভরে হনুমানের পুজো করলে সকল ইচ্ছা পূরণ হবে। বজরংবলীর আরাধনায় বিশেষ ফলপ্রাপ্তি হয়। হনুমানজির পুজোর এক বিশেষ অংশ হনুমান চালিশা পাঠ করা। হনুমান চালিশা পাঠ না করলে বজরংবলীর পুজো অসম্পূর্ণ থেকে যায় বলে বিশ্বাস। তবে, কোনও ইচ্ছা পূরণ করতে চাইলে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ভক্তদের হনুমান চালিশা পাঠ করতে হয়।
আরও পড়ুন:
জ্যোতিষবিদ্যা অনুসারে, কোনও বিরতি না নিয়ে টানা ১১ দিন হনুমানজির দয়া পাওয়ার জন্য সংকল্প করতে হবে। ১১ দিন কিছু নিয়ম মেনে চললে হনুমানের কৃপাদৃষ্টি পড়বে আপনার উপর। জেনে নিন সেই নিয়মগুলি—
- বাড়িতে একটি রাম-সীতা-লক্ষ্মণ-হনুমানের ছবি রাখতে হবে। প্রতি দিন স্নান করার পর তার সামনে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালাতে হবে। ছবির দিকে তাকিয়ে মনোবাঞ্ছা জানান।
- প্রসাদ হিসাবে ফলমূল অথবা মিষ্টি নিবেদন করতে পারেন।
- মন শান্ত করে বসে একনিষ্ঠ ভাবে সাত বার হনুমান চালিশা পাঠ করতে হবে। হনুমান চালিশা পাঠ করার সময় নিজের ইচ্ছা নিয়ে স্পষ্ট ধারণা বজায় রাখতে হবে।
- হনুমান চালিশা পাঠ শেষ করার সময় ‘তুলসীদাস’-এর নাম করবেন না। তার পরিবর্তে নিজের নাম উল্লেখ করে পাঠ শেষ করবেন।
আরও পড়ুন:
- সংকল্পের ১১তম দিনে হনুমান চালিশা পাঠ শেষ করার পর ‘বজরং বাণ’ও পাঠ করতে হবে।
- তবে, সপ্তাহের যে কোনও দিন এই সংকল্প করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। শুধুমাত্র মঙ্গলবার থেকেই এই সংকল্প শুরু করা প্রয়োজন।
উপরের এই নিয়মগুলি নিষ্ঠাভরে মেনে চললে বজরংবলী তাঁর ভক্তদের সকল ইচ্ছা পূরণ করেন। কেরিয়ারের পথে বার বার বাধা আসছে অথবা সংসার পাতার প্রবল ইচ্ছা থাকলেও তা পূরণ হচ্ছে না? এমন পরিস্থিতিতে ১১ দিনের হনুমান সংকল্প করলে সব রকম বাধাবিঘ্ন দূর হয়ে স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হবে।