খারাপ নজর অত্যন্ত ভয়ঙ্কর একটি জিনিস। এর ফলে জীবন ওলট-পালট হতে বিশেষ সময় লাগে না। যে ব্যক্তি এক বার খারাপ নজরের কবলে পড়েন, তিনিই জানেন সেটির প্রভাব কতটা মারাত্মক হতে পারে। কখন কার মনে কী চলে তার আন্দাজ আগে থেকে পাওয়া যায় না। এর ফলে কে আমাদের উপর খারাপ নজর দিচ্ছে সেটিও আমরা বুঝতে পারি না। তবে কেবল নির্দিষ্ট মানুষের উপর নয়, আমাদের বাড়ির উপরও কুনজরের প্রভাব পড়তে পারে। এর ফলে বাড়ির প্রত্যেক সদস্যের জীবনে নানা সমস্যা দেখা দেয়। বাড়িকে কুনজরের কবল থেকে রক্ষা করার উপায়গুলি জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
বাড়িকে কুনজর থেকে রক্ষা করার উপায়গুলি কী?
- শাস্ত্রমতে, নুন বাড়িকে কুনজর থেকে বাঁচাতে সহায়ক। সদর দরজার পাশে একটি কাচের পাত্র ভর্তি করে সৈন্ধব লবণ রেখে দিন। প্রতি সপ্তাহে পুরনো লবণ ফেলে দিয়ে সেই পাত্রে নতুন লবণ ঢেলে রেখে দিন। বাড়ির উপর কুনজর পড়তে পারবে না।
- প্রতি দিন সন্ধ্যায় কর্পূর জ্বালান। তার পর সেই ধোঁয়া সারা বাড়িতে ছড়িয়ে দিন। সব শেষে কর্পূর পোড়ার ছাই বাড়ির বাইরে ফেলে দিন। এতে বাড়ির উপর যদি কারও কুনজর পড়েও থাকে, তা হলে সেই খারাপ প্রভাব থেকে মুক্তি পাবেন।
আরও পড়ুন:
- অনেকেই মনে করেন যে লেবু-লঙ্কা কেবল দোকানের সামনেই ঝোলানো যায়। তবে এ ধারণা ঠিক নয়। শত্রুদের বিষনজর থেকে বাঁচাতে বাড়ির সদর দরজাতেও লেবু-লঙ্কা ঝোলাতে পারেন। প্রতি শনিবার করে এই কাজ করতে হবে।
- প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, সদর দরজার পাশের দেওয়ালে সিঁদুর দিয়ে ‘ওম’ লিখে রাখলে বা স্বস্তিক চিহ্ন আঁকলেও বাড়ির উপর কেউ খারাপ নজর ফেলতে পারেন না।
আরও পড়ুন:
- বাড়ি সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং গুছিয়ে রাখলেও খারাপ নজরের প্রভাব থেকে তাকে মুক্ত রাখা যায়। শাস্ত্রমতে, অপরিষ্কার, অগোছালো ঘরবাড়িতে খারাপ নজরের প্রভাব বেশি তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়ে। তবে বাড়ি নিয়মিত ঝাড়পোঁছ করলে এবং গুছিয়ে রাখলে কুনজরের প্রভাব চট করে জাঁকিয়ে বসতে পারে না।