মন্ত্রোচ্চারণের গুণাগুণ বলে শেষ করা যাবে না। এর ফলে কেবল ভাগ্যোন্নতিই হয় না, মনও শান্ত হয়। নিয়মিত মন্ত্রপাঠ করলে ধৈর্য এবং একাগ্রতা বৃদ্ধি পায়। মনঃসংযোগের সমস্যা কাটিয়ে উঠে যে কোনও কাজে মনোনিবেশ করা যায়। হিন্দু ধর্মে উল্লিখিত প্রায় সকল দেব-দেবীরই নানা মন্ত্র রয়েছে। সেগুলি সব কারও পক্ষেই জানা সম্ভব নয়। ভিন্ন দেব-দেবীর মন্ত্রোচ্চারণের উপকারিতাও বিভিন্ন। শাস্ত্রে দেবী দুর্গার নানা মন্ত্রের উল্লেখ রয়েছে। সেগুলির মধ্যে তিনটি মন্ত্র পাঠ করলে জীবনের সকল সমস্যা কাটিয়ে সহজেই উন্নতির শিখরে পৌঁছোনো যায়। কোন তিন মন্ত্র পাঠ করবেন, জেনে নিন।
১. ওম ঐং হ্রীং ক্লীং চামুণ্ডায়ে বিচ্চে: এটি দেবী চামুণ্ডা বীজমন্ত্র। দেবী চামুণ্ডার নাম শুনলে অনেকেই আঁতকে ওঠেন। তবে তাঁর বীজমন্ত্র পাঠ করলে সাহস বৃদ্ধি পায়। জীবনের সকল নেগেটিভ শক্তি কাটিয়ে সফলতার দিকে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে যে কোনও কাজ করে ফেলা যায়।
আরও পড়ুন:
২. ওম সর্বমঙ্গল মঙ্গল্যে শিবে সর্বার্থ সাধিকে।/শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরী নারায়ণী নমোস্তুতে।।: এটি দেবী দুর্গার প্রণাম মন্ত্র। প্রতি দিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর স্নান করে শুদ্ধ বসন পরে নিয়ে দেবী দুর্গার এই মন্ত্র পাঠ করতে পারলে খুব ভাল ফল পাওয়া যায়। যে কোনও কাজে সফলতা প্রাপ্তি হয়। শত্রুরা চেষ্টা করেও ক্ষতি করতে ব্যর্থ হন।
আরও পড়ুন:
৩. ইয়া দেবী সর্বভূতেষু শক্তি-রূপেণ সংস্থিতা।/নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ।।: দেবী দুর্গার কাছে সুরক্ষা প্রদান করতে বলার উদ্দেশ্য নিয়ে এই মন্ত্র পাঠ করা হয়। নিয়মিত এই মন্ত্র পাঠ করলে দেবী দুর্গার আশীর্বাদ লাভ করা সম্ভব। এরই সঙ্গে নিজে উদ্যোগ নিয়ে যে কোনও কাজ করা সম্ভব হয়। সেই কাজে সফল হওয়া যায়। সিদ্ধান্তগ্রহণের ক্ষমতা উন্নত হয়।