কথাতেই আছে, ‘‘জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে, তিন বিধাতা নিয়ে।’’ অতএব, এই তিনটি বিষয়ে আমাদের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। এ সবই পূর্বনির্ধারিত। অনেক সময়ই দেখা যায় যে কোনও কারণ ছাড়াই বিয়ে হতে দেরি হচ্ছে। আবার কখনও কখনও এ রকমও হয় যে সব কিছু ঠিক হয়ে যাওয়ার পরও বিয়ে আটকে যায়। শাস্ত্রমতে, বিবাহিত জীবন কষ্টপূর্ণ বা বিবাহে বিলম্বের ক্ষেত্রে শনিদেবই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। অর্থাৎ, বিবাহিত জীবনে সমস্যার নেপথ্যেও কলকাঠি নাড়েন শনিদেব। তবে আর কোনও গ্রহের যে এ বিষয়ে ভূমিকা নেই তা নয়। কিন্তু শনিদেবের ভূমিকাই সর্বাধিক বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। জ্যোতিষশাস্ত্রে এ বিষয়ে নানা উপায় পালনের কথা বলা রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কার্যকরী কিছু উপায়ের কথা জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
উপায়:
- যে খাটে আপনি ঘুমোন সেই খাটের নীচে লোহার কোনও জিনিস রাখবেন না। বাস্তুমতে, লোহার জিনিস বিয়ের ক্ষেত্রে বিলম্ব সৃষ্টি করতে পারে। তাই খাটের নীচে লোহার জিনিস রাখা এড়িয়ে চলুন।
- শনিদোষের কারণে যদি বিবাহ বিলম্বিত হয়, তবে শনিবার সর্ষের তেলে আপনার ছায়া দেখে দান করুন। এটা একটানা সাতটি শনিবার করতে হবে। দেখবেন বিয়ের পথে আসা বাধাগুলি কেটে যাবে।
আরও পড়ুন:
- মেয়ের বিয়েতে বিলম্ব হলে বা বাধার সম্মুখীন হতে হলে সোমবার করে শিবলিঙ্গে কাঁচা দুধ অর্পণ করুন।
- অনেক সময়ই মঙ্গলদোষের কারণেও বিয়েতে সমস্যা হতে পারে। এই দোষ দূর করার জন্য ঘরের মূল দরজার রং গোলাপি বা হালকা লাল রঙের করাতে পারেন। এ ছাড়া মঙ্গলবার করে হনুমানজির পুজো করুন।
- সোমবার করে শিব-পার্বতীর পুজো করুন। সবুজ রঙের জামা পরে দেবযুগলের আরাধনা করুন ও পার্বতীকে সিঁদুর, আলতা, শাঁখা-পলা নিবেদন করুন। এর ফলে বিয়ের বাধা কেটে যাবে।