জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, রাহু একটি ছায়াগ্রহ। অন্যান্য গ্রহের মতো রাহুর কোনও শারীরিক অস্তিত্ব নেই। তাই জ্যোর্তিবিজ্ঞানে রাহুর কোনও গুরুত্বও নেই। কিন্তু জ্যোতিষশাস্ত্রে রাহুর গুরুত্ব অপরিসীম। রাহুকে অশুভ গ্রহ মনে করা হয়। কারণ, রাহুর কুপ্রভাবে জীবন তছনছ হতে বেশি সময় লাগে না। রাহু বর্তমানে শতভিষা নক্ষত্রে অবস্থান করছে। ২০২৬-এর অগস্ট পর্যন্ত রাহু সেখানেই থাকবে। তার পর কুম্ভ রাশির নক্ষত্রে গমন করবে। শতভিষা নক্ষত্রে রাহুর অবস্থান এই বছরের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। এর ফলে যাঁরা রাহুর কুপ্রভাবে ভুগছেন, তাঁদের সেই ফল আরও মারাত্মক রূপ ধারণ করতে পারে বলে বিশ্বাস। রাহুকে শান্ত রাখতে বিশেষ কিছু উপায় মেনে চলুন।
আরও পড়ুন:
উপায়:
১. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন। নিয়মিত স্নান করুন। নিজের বাহ্যিক সৌন্দর্যের দিকে নজর দিন। সুতির পোশাক বেশি করে ব্যবহার করুন। রাহু এতে তুষ্ট হন বলে মনে করা হয়। নিজেকে পরিষ্কার রাখার সঙ্গে সঙ্গে ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও গুছিয়ে রাখার দিকেও নজর দিন। অগোছালো, অপরিষ্কার ঘরবাড়ি রাহু মোটেই পছন্দ করেন না। এতে ভাগ্যের উপর কুপ্রভাব পড়ে।
২. রাহু শতভিষা নক্ষত্রে থাকাকালীন সময়ে শরীর-স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া আবশ্যিক। না হলে স্বাস্থ্যহানি ঘটতে পারে। রোজনামচায় স্বাস্থ্যকর অভ্যাস যুক্ত করুন। হালকা গড়বড় হলেও তা স্বাস্থ্যের জন্য সমস্যার হয়ে উঠতে পারে। নিজের বদভ্যাসগুলির দিকেও নজর দিন। না হলে সেগুলি মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। ফলত রাহুর কুপ্রভাবের পরিমাণও বৃদ্ধি পাবে। যে কোনও প্রকার নেশা থেকে দূরে থাকুন।
আরও পড়ুন:
৩. সাধ্যমতো দান করুন। বিশেষ করে গরিব-দুঃখীদের তাঁদের প্রয়োজনীয় ওষুধ, খাদ্যসামগ্রী ও পোশাক দান করতে পারলে খুব ভাল হয়। এতে রাহুর কুপ্রভাব থেকে অনেকটা মুক্তি পাওয়া যায়। ফলপ্রাপ্তির সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।