২৩ জানুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার সরস্বতীপুজো। বিদ্যার্থীরা দেবী সরস্বতীর পুজো করলে লেখাপড়ায় খুব ভাল ফল পাওয়া যায়। বসন্ত পঞ্চমীর দিন পড়ে বিদ্যার দেবীর পুজো। এ ছাড়া সরস্বতীপুজো করলে দেবীর কৃপায় জ্ঞান, বুদ্ধি এবং বিদ্যা সবই অর্জন করা যায়। যে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, বাড়িতে প্রভৃতি জায়গায় আড়ম্বরের সঙ্গে সরস্বতীপুজো করা হয়। সরস্বতীপুজোর দিন জ্যোতিষশাস্ত্র মতে বিশেষ কিছু টোটকা সঠিক নিয়ম মেনে পালন করতে পারলে নানা দিক থেকে খুব ভাল ফল পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন:
টোটকা:
১) সরস্বতীপুজোর সময় একটা পাত্রে কিছুটা কাঁচা দুধ এবং কেশর মিশিয়ে রেখে দিন। দুধের রং যখন হালকা হলুদ হবে, তখন সরস্বতী দেবীকে সেটি অর্পণ করুন।
২) সরস্বতী দেবীকে হলুদ মিষ্টি, হলুদ ফুল, হলুদ রঙের কলা, হলুদ রঙের বস্ত্র, হলুদ রঙের ডাল এবং কাঁচা হলুদ অবশ্যই নিবেদন করুন। এতে দেবী সরস্বতী খুবই সন্তুষ্ট হন।
৩) দেবী সরস্বতীর হাতে যে পুস্তকটা থাকে, সেই পুস্তকটা পড়ুয়ারা এক বার স্পর্শ করে প্রণাম করে নিন। এতে লেখাপড়ায় খুব ভাল ফল পাওয়া যাবে।
আরও পড়ুন:
৪) এই দিন দেবীকে নৈবেদ্য হিসাবে বাসন্তী পোলাও এবং সাদা বা হলুদ রঙের মিষ্টি অর্পণ করুন। পুজোর পর সেই প্রসাদ কুমারী মেয়েদের মধ্যে বিতরণ করে দিন।
৫) সরস্বতীপুজোয় পলাশ ফুল অবশ্যই অর্পণ করুন। এ ছাড়া খই, কুল, সবেদা, মটরশুঁটি, দোয়াত-কলম অর্পণ করা যেতে পারে।
৬) দেবী সরস্বতীর অঞ্জলি দেওয়ার সময় অবশ্যই হলুদ অথবা সাদা বস্ত্র পরুন। পুজোর তিথি থাকার মধ্যে অঞ্জলি দিতে হবে। পরে দিলে ফল পাওয়া যাবে না।
আরও পড়ুন:
৭) এই দিন পাঁচটা দুর্বার সঙ্গে কাঁচা হলুদ একসঙ্গে বেটে, তার মধ্যে সামান্য সর্ষের তেল দিয়ে সারা গায়ে মাখুন। গায়ে তেল মাখতে অসুবিধা থাকলে সেখান থেকে একটু তেল নিয়ে কপালে তিলক লাগান।
৮) মন চাইলে এই দিন পোখরাজ এবং মুক্তো ধারণ করতে পারেন। এই দুই রত্ন ধারণের জন্য সরস্বতীপুজোর দিনটিকে শুভ মনে করা হয়। তবে জ্যোতিষীর পরামর্শ না নিয়ে রত্ন ধারণ করা যাবে না।
আরও পড়ুন:
৯) সরস্বতীপুজোর দিন ভুলেও নখ-চুল কাটবেন না। এরই সঙ্গে এই দিন নিরামিষ আহার গ্রহণ করতে পারলে খুব ভাল হয়।
১০) কেবল হাতেখড়ি নয়, যাঁরা পুনরায় লেখাপড়া শুরু করতে চান, তাঁরাও সরস্বতীপুজোর দিনটিকে বেছে নিতে পারেন। এই দিনটি লেখাপড়া শুরু করার জন্য শুভ বলে মনে করা হয়।