আর কয়েক ঘণ্টা পরই শুরু হবে বঙ্গাব্দ ১৪৩৩। আজই চৈত্র সেলের শেষ দিন। প্রায় সকল বাঙালি হিন্দু তাই এখন সেলের দোরগোড়ায় এসে আর কী লুটে নেওয়া যায় তা দেখে নিতে ব্যস্ত। পয়লা বৈশাখ মানেই নিজেদের তথা ঘরবাড়িকেও নতুন করে সাজিয়ে তোলা। আমরা সকলেই এর জন্য অনেক কিছু কিনে থাকি। শাস্ত্র জানাচ্ছে, পয়লা বৈশাখের আগে যদি চার জিনিস বাড়িতে আনা যায় তা হলে খুব ভাল হয়। শুভ শক্তির সঞ্চার ঘটে। কোন জিনিসগুলি আনতে হবে, জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
পয়লা বৈশাখের আগে বাড়িতে কী কী আনবেন?
কচ্ছপ: পয়লা বৈশাখের আগে বাড়িতে একটা ব্রোঞ্জ বা কাঠের তৈরি কচ্ছপ নিয়ে আসুন। এর ফলে মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ লাভ করবেন। সংসারে সুখ-শান্তির কোনও অভাব হবে না। নতুন বছরে সমৃদ্ধি লাভ করবেন।
তুলসীগাছ: যাঁদের বাড়িতে তুলসীগাছ নেই, তাঁরা নতুন বছর শুরু হওয়ার আগেই বাড়িতে একটা তুলসীগাছ অবশ্যই আনুন। এই গাছে লক্ষ্মীদেবীর বাস থাকে বলে বিশ্বাস করা হয়। তাই নতুন বছর শুরু হওয়ার আগে বাড়িতে অবশ্যই একটা তুলসীগাছ আনুন এবং সেটিতে প্রতি দিন জল দিন। তবে রবিবার, একাদশী এবং পূর্ণিমার দিন তুলসীগাছে জল দেওয়া যাবে না।
আরও পড়ুন:
ময়ূরের পালক: নেগেটিভ শক্তিকে দূর করার অসীম ক্ষমতা থাকে ময়ূরের পালকের মধ্যে। পয়লা বৈশাখের আগে বাড়িতে তাই অবশ্যই একটা ময়ূরের পালক এনে রাখুন। সেটি রাখার শ্রেষ্ঠ স্থান হল বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব বা পূর্ব দিক। শ্রীকৃষ্ণের প্রিয় এই জিনিস গণেশেরও অতি কাছের। এর ফলে নববর্ষে অর্থ সংক্রান্ত কোনও সমস্যা আপনার কাছে ঘেঁষতে পারবে না।
শঙ্খ: বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, প্রতিটি হিন্দু বাড়িতে শঙ্খ রাখা উচিত। সমুদ্রমন্থনের সময় দেবী লক্ষ্মীর মতো শঙ্খেরও উদয় হয়। বাড়িতে শঙ্খ না থেকে থাকলে পয়লা বৈশাখের আগে অবশ্যই একটা শঙ্খ নিয়ে আসুন। এর ফলে লক্ষ্মীদেবীর আশীর্বাদ প্রাপ্তি হবে।