জ্যোতিষশাস্ত্রের মতোই সংখ্যাতত্ত্বেরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কোনও মানুষের সঠিক জন্মতারিখ যদি জানা থাকে, তবে তা থেকে অনেক কিছুই জেনে নেওয়া সম্ভব। জাতক/জাতিকার রাশি বা কোষ্ঠী থেকে যেমন তাঁর স্বভাবের ভালমন্দ দিক সম্পর্কে জানা যায়, একই কথা প্রযোজ্য জন্মসংখ্যার ক্ষেত্রেও। খুব নিখুঁত ভাবে না হলেও কোনও ব্যক্তি কোন তারিখে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তা থেকে তাঁর ব্যক্তিত্বের নানা দিক বিষয়ে একটা ধারণা পাওয়া যায় বলে জানাচ্ছে সংখ্যাতত্ত্ব।
বিশেষ কয়েকটি তারিখে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে থাকেন বলে মনে করা হয়। এঁরা শান্ত স্বভাবের, কম কথার মানুষ হন। কিন্তু তাঁর মানে এই নয় যে তাঁরা মানসিক ভাবে দুর্বল। এঁদের অন্তরের শক্তি খুব গভীর হয়। এঁরা আশপাশে চলা সমস্ত বিষয় খুব সতর্ক ভাবে লক্ষ করেন এবং ভেবেচিন্তে তার পরে সিদ্ধান্ত নেন। জেনে নিন সেই তারিখগুলি কী কী এবং তাঁদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে কী বলছে সংখ্যাতত্ত্ব—
আরও পড়ুন:
- ৪: এই তারিখে জন্মানো জাতক-জাতিকাকে ‘নীরব পর্যবেক্ষক’ বলা যেতে পারে। এঁরা সব দিক ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেন। এঁরা আবেগপ্রবণ হন ঠিকই, তবে জীবনের লক্ষ্যের পথে চলতে গিয়ে তা যদি কোনও রকম বাধা সৃষ্টি করে, তবে সে ক্ষেত্রে সেই অনুভুতিকে নিয়ন্ত্রণ করেন এঁরা।
- ৮: সংখ্যাবিদদের মতে, এই তারিখে জন্মানো জাতক-জাতিকা সব সময় ভারসাম্য বজায় রেখে চলেন। এঁদের মনে দয়ামায়া থাকে ঠিকই, তবে কোনও মানুষ এঁদের প্রতি যে ধরনের আচরণ করে থাকেন, তা এঁরা কখনও ভোলেন না।
আরও পড়ুন:
- ৯: এঁরা অত্যন্ত কোমল স্বভাবের হয়ে থাকেন বলে জানাচ্ছে সংখ্যাশাস্ত্র। সকলের সঙ্গে ভাল আচরণ করেন। তবে এঁদের মনের তল পাওয়া ভার। এঁরা কোনও কারণে অসন্তুষ্ট হলে, তা বাইরে থেকে ধরা শক্ত।
- ২২: প্রচলিত বিশ্বাস, এঁরা জন্মগত ভাবে নেতা স্বভাবের হয়ে থাকে। এঁরা খুবই ধৈর্যশীল স্বভাবের হন, সহজে রাগেন না। কিন্তু এক বার কোণঠাসা হয়ে গেলে, এঁদের সামলে রাখা মুশকিল হয়ে পড়ে।