বাড়ির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল রান্নাঘর। সেখানে কেবল বাড়ির সদস্যদের খাবারই রান্না করা হয় না, সেই ঘরের উপর নির্ভর করে বাস্তুর সুস্থতা। রান্নাঘরে দেবী অন্নপূর্ণার বাস থাকে। তাই সেই স্থান সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নিদান দেন বাস্তুবিদেরা। এ ছাড়া রান্নাঘর অগোছালো রাখলেও বাস্তুর নানা ক্ষতি হয়ে যেতে পারে বলে মনে করা হয়। আজকাল জায়গার অভাবে অনেকেই রান্নাঘরে ডাস্টবিন রেখে থাকেন। সেখানে আনাজের খোসা, খাবারের প্যাকেট প্রভৃতি ফেলেন। সাধারণত রান্নাঘরের বর্জ্য পদার্থই সেই ডাস্টবিনে ফেলা হয়। কিন্তু এই কাজ কি বাস্তুসম্মত? সে সম্বন্ধে জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
রান্নাঘরে ডাস্টবিন রাখা অশুভ?
বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, রান্নাঘরে ডাস্টবিন রাখা উচিত নয়। এতে বাস্তুর অকল্যাণ হয়। আমরা অজান্তেই বাড়িতে নেতিবাচক শক্তিকে ডেকে নিয়ে আসি। এরই সঙ্গে দেবী অন্নপূর্ণাও বাড়ি থেকে ক্রোধের সঙ্গে বিদায় নেন। ফলত মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যায়। তাই রান্নাঘরে ডাস্টবিন না রাখাই ভাল।
আরও পড়ুন:
রান্নাঘরে ডাস্টবিন রাখার ফলে কী হয়?
- রান্নাঘরে ডাস্টবিন রাখার ফলে জীবনে নেতিবাচক শক্তির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ইতিবাচক শক্তি জীবন থেকে বিদায় নেয়। মাথায় কোনও কারণ ছাড়াই অশুভ চিন্তা ঘুরে বেড়ায়।
- দেবী অন্নপূর্ণা রুষ্ট হওয়ার ফলে বাড়িতে খাদ্যাভাব দেখা দেওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। অর্থকষ্টতেও ভুগতে হতে পারে।
- নেগেটিভ শক্তি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বাড়ির সদস্যদের সম্পর্কের বন্ধন হালকা হতে থাকে। ঝগড়া-অশান্তি লেগেই থাকে। বাড়ির পরিবেশ নষ্ট হয়।
আরও পড়ুন:
ডাস্টবিন কোথায় রাখবেন?
- বাড়ির ভিতরে সর্বদা ঢাকনাযুক্ত ডাস্টবিন রাখার চেষ্টা করুন। সেটির মুখ উন্মুক্ত রাখবেন না।
- বাড়ির দক্ষিণ দিক ডাস্টবিন রাখার জন্য শ্রেষ্ঠ বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া দক্ষিণ-পশ্চিম দিকেও ডাস্টবিন রাখা যেতে পারে।
- বাড়ির উত্তর দিকে ভুলেও ডাস্টবিন রাখতে যাবেন না। এতে বাড়িতে দারিদ্র ও নেগেটিভ শক্তির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
- ডাস্টবিন নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। সেখানে ময়লা ফেলা হয় বলে সেটিকে নোংরা রাখা যাবে না।