বাড়ির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল রান্নাঘর। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, সেখানে স্বয়ং দেবী অন্নপূর্ণার বাস থাকে। তাই বাস্তুশাস্ত্রে রান্নাঘরের সজ্জার বিষয়ে নানা টোটকা মানার কথা বলা রয়েছে। তবে কেবল সাজালেই হবে না, আরও কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। প্রায় বাড়িতেই হেঁশেলের নানা সামগ্রী মাঝেমধ্যেই শেষ হয়ে যায়। এটি অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়। বিশেষ করে মশলাপাতি অনেক সময়ই শেষ হয়ে গেলেও আমাদের নজরে পড়ে না। তবে শাস্ত্র জানাচ্ছে, বাস্তুর মঙ্গলের জন্য তিন খাদ্যবস্তুর কৌটো কখনও ফাঁকা হতে দেওয়া যাবে না। এতে বাড়ির উপর কুপ্রভাব পড়ে।
আরও পড়ুন:
কোন তিন মশলা শেষ হতে দেওয়া যাবে না?
হলুদ: শাস্ত্রমতে, হলুদের সঙ্গে বৃহস্পতির সম্পর্ক রয়েছে। এই জিনিসের যেমন ঔষধি গুণ রয়েছে, তেমনই ভাগ্য বদলাতে এবং রান্নার স্বাদ-গন্ধ বৃদ্ধিতেও কার্যকরী হলুদ। হলুদের কৌটো কখনও খালি হতে দেওয়া যাবে না। শেষ হওয়ার আগেই তা আবার ভর্তি করে রাখতে হবে। না হলে পরিবারের অগ্রগতি ঝিমিয়ে পড়ে। পেশাজীবনে নানা বাধার সম্মুখীন হতে হয়।
আরও পড়ুন:
নুন: রান্নার ক্ষেত্রে নুন খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। নুন ছাড়া খাবার প্রায় কোনও মানুষই খেতে পারেন না। কারণ সেই খাবারে কোনও স্বাদই পাওয়া যায় না। এ ছাড়া, নুন বাড়ির নেগেটিভ শক্তির পরিমাণ কমাতেও সহায়ক। তবে রান্নাঘরে নুনের কৌটো ফাঁকা হলে নেগেটিভ শক্তি কমার বদলে বৃদ্ধি পায়। শান্তির বিঘ্ন ঘটে। বাড়ির সদস্যদের মধ্যে অশান্তি দেখা যায়। নুন শেষ হয়ে গেলে আর্থিক সমস্যাও বৃদ্ধি পায়।
চাল: বাড়িতে চাল সম্পূর্ণ রূপে শেষ হয়ে যাওয়া মানে বাড়ি থেকে মা অন্নপূর্ণা চলে যাওয়া। এটি ঘোর অমঙ্গলের ইঙ্গিত দেয়। কারণ, চালকে মা অন্নপূর্ণার আশীর্বাদ মনে করা হয়। তাই হেঁশেলে পুরো চাল কখনও শেষ হতে দেওয়া যাবে না। এতে সংসারের উপর কুপ্রভাব পড়ে। অশান্তির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তাই চাল রাখার পাত্র শেষ হওয়ার আগেই নতুন চাল এনে ভরে রাখা ভাল।