রান্নাঘরে ব্রহ্মা এবং দেবী অন্নপূর্ণা বা মা লক্ষ্মীর বাস। দৈনন্দিন সাংসারিক জীবনে এক অপরিহার্য অঙ্গ রান্নাঘর। তাই রান্নাঘরকে সব সময় খুব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, রান্নাবান্নার জন্য প্রয়োজনীয় এমন কিছু নির্দিষ্ট উপাদান রয়েছে যেগুলি হেঁশেল থেকে কখনও ফুরোতে দিতে নেই। সেই জিনিসগুলি রান্নাঘর থেকে অদৃশ্য হলেই মা অন্নপূর্ণা রুষ্ট হন। বাস্তুদোষ সৃষ্টি হয়ে আর্থিক সঙ্কট, অশান্তি এবং দুর্ভাগ্যের ছায়াও নেমে আসতে পারে পরিবারে। জেনে নিন কোন পাঁচটি জিনিস ফুরিয়ে যাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে হবে—
হলুদ
শাস্ত্রমতে, হলুদের সঙ্গে বৃহস্পতি গ্রহের সম্পর্ক রয়েছে। রান্নাঘরে হলুদ শেষ হয়ে তা বাস্তুদোষ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। হলুদের অভাবে শুভ কাজ বাধাগ্রস্ত হয়। ভাগ্যকে দুর্বল করে দেয়। বাড়িতে ইতিবাচক শক্তির হ্রাস হয়।
চাল
চাল বাড়ন্ত হওয়া অশুভ ইঙ্গিত বহন করে। তা বাড়ির শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে। এর ফলে আপনার সঞ্চিত সম্পদও কমে যেতে পারে। হ্রাস করতে পারে। মা অন্নপূর্ণার কৃপা বজায় রাখতে চালের পাত্র খালি হওয়ার আগে নতুন চাল ভরে দিতে হবে।
আরও পড়ুন:
নুন
শাস্ত্র অনুযায়ী, রান্নাঘরে নুনের উপস্থিতি রাহু এবং কেতুর ক্ষতিকারক প্রভাব হ্রাস করে। নুনের ঘাটতি অর্থনৈতিক দুরবস্থা এবং অস্থিরতার ইঙ্গিত দেয়। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অকারণ বিবাদ সৃষ্টি হতে পারে।
ময়দা
জ্যোতিষবিদ্যা অনুসারে, ময়দা সুখ এবং সমৃদ্ধির প্রতীক। এর ফলে পরিবারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। কিন্তু ময়দা ফুরিয়ে গেলে পরিবারের সদস্যদের মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায়। তার পাশাপাশি আর্থিক সমস্যাও দেখা দেয়।
তেল বা ঘি
তেল বা ঘি ফুরিয়ে গেলে তা নেতিবাচক শক্তির প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। পরিবারের সমৃদ্ধিতে এর প্রভাব পড়ে। মা অন্নপূর্ণার রোষের প্রকোপ থেকে বাঁচতে তেল বা ঘিয়ের কৌটো সব সময় পূর্ণ রাখতে হয়।