নতুন বছর মানেই আনন্দ। নতুন পোশাক কেনা, খাওয়াদাওয়া এ সব তো থাকেই। অনেকে আবার ঘুরতেও যান ছোট্ট ছুটিতে। সেই সঙ্গে থাকে আত্মীয়, বন্ধুদের সাধ্যমতো উপহার দেওয়ার পালা। এই সবের ফলে বেশ কিছু অর্থব্যয়ও হয়ে যায়। এ ছাড়াও অনেক সময়ই দেখা যায়, বহু পরিশ্রম করছেন, অর্থ উপার্জনও করছেন যথেষ্ট, তবে সঞ্চয়ের খাতায় থাকছে না তেমন কিছুই। প্রায় শূন্য রয়ে যাচ্ছে সিন্দুক। জ্যোতিষমতে এই সমস্যার সমাধান রয়েছে। নতুন বছরে মেনে চলুন সহজ কয়েকটি টোটকা, পূর্ণ হয়ে উঠবে সিন্দুক।
আরও পড়ুন:
- ১। সিন্দুক বা আলমারি সব সময় উত্তর বা পূর্ব দিকে মুখ করে রাখা শুভ। এতে সম্পদের দেবী লক্ষ্মী প্রসন্ন হন বলে বিশ্বাস।
- ২। একটি গোটা সুপুরিতে সিঁদুর লেপে, ফুল এবং লাল সুতো দিয়ে বেঁধে নিন। মা লক্ষ্মীর পুজোর সময় সেটিকেও পুজো করুন, এর পর সিন্দুকে রেখে দিন।
- ৩। কোনও এক শুক্রবার পাঁচটি কড়ি, অল্প কেশর, এক গাঁট হলুদ ও একটি রুপোর কয়েন হলুদ কাপড়ের টুকরোয় জড়িয়ে আলমারির লকারে রাখুন। এতে শুভ পরিবর্তন ঘটার সম্ভাবনা।
আরও পড়ুন:
- ৪। সিন্দুকে সব সময় অন্তত ১০ টাকার নোটের একটি বান্ডিল রাখুন। কয়েকটি তামা বা পিতলের মুদ্রা রাখাও শুভ। তবে ভুল করেও অ্যালুমিনিয়াম বা জার্মান সিলভারের কয়েন রাখবেন না।
- ৫। একটি অশ্বত্থ পাতায় ঘি লেপে সিঁদুর দিয়ে ‘ওম’ লিখে সিন্দুকে রাখুন। টানা পাঁচ শনিবার এই টোটকাটি পালন করলে সঞ্চয়ের পথের সব বাধা কেটে যাবে বলে বিশ্বাস।
- ৬। শাস্ত্রে দক্ষিণাবর্তী শঙ্খের বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। জ্যোতিষমতে, লকারে এই শঙ্খ রাখলে লক্ষ্মী দেবী স্বয়ং আকৃষ্ট হন।
আরও পড়ুন:
- ৭। লাল চন্দন দিয়ে ময়ূরের পালকের সাহায্যে ভূর্জপত্রে ‘শ্রী’ লিখে সিন্দুকে রাখতে পারেন। এতে ধনদেবী সন্তুষ্ট হন বলে বিশ্বাস।
- ৮। একটি ‘ঐশ্বর্যবৃদ্ধি যন্ত্র’ বা ‘ধনদা যন্ত্র’ বিধি মেনে পুজো করে সিন্দুকে রেখে দিন। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, এর ফলে জমানো পুঁজি বাড়তে শুরু করবে।