ভ্যালেন্টাইন্স ডে মানেই সঙ্গীকে উপহার দেওয়ার ধুম। কেবল ফুল বা চকোলেট দিয়ে এই দিন সঙ্গীকে শান্ত করা যায় না, কারণ সেগুলি আদান-প্রদানের পালা আগেই মিটে যায়। তাই সকলের মাথাতেই উপহার সংক্রান্ত নানা চিন্তা ঘোরে। কী দিলে ভালবাসার মানুষটি আনন্দ পাবেন, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন মনে চলতে থাকে। তবে শাস্ত্র জানাচ্ছে, উপহারের তালিকা থেকে কিছু জিনিস বাদ রাখা আবশ্যিক। না হলে ভালবাসা বাড়ার বদলে জীবন থেকে বিদায় নিতে পারে। সম্পর্কে ছেদ হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। কোন উপহারগুলি দেওয়া নিষেধ, জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
প্রেম দিবসে কোন উপহারগুলি দেওয়া বারণ?
সুগন্ধি: সঙ্গীকে দেওয়ার জন্য অনেকেই সুগন্ধি উপহার হিসাবে বেছে নেন। কিন্তু শাস্ত্র জানাচ্ছে এটি মোটেই প্রেম দিবসের জন্য উপযুক্ত উপহার নয়। এতে সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব বৃদ্ধি পায়। প্রতিটি রাশির মানুষের সঙ্গে নির্দিষ্ট সুগন্ধির সম্পর্ক রয়েছে। আপনি সঙ্গীর জন্য যে ধরনের সুগন্ধি বেছে নিচ্ছেন, সেটি তাঁর জন্য উপযুক্ত না-ও হতে পারে। তাই সুগন্ধি দেওয়া এড়িয়ে চলতে হবে।
ঘড়ি: মনের মানুষকে কখনও ঘড়ি উপহার দেওয়া উচিত নয়। সকলের সময় সমান ছন্দে এগোয় না। ঘড়ি উপহার দিলে আপনার খারাপ সময় সঙ্গীর কাছে চলে যেতে পারে। এর ফলে সম্পর্কে সমস্যা সৃষ্টির আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তাই উপহারের তালিকা থেকে ঘড়িকেও বাদ রাখতে হবে।
আরও পড়ুন:
রুমাল: রুমালকে উপহারের সামগ্রী হিসাবে অশুভ মনে করা হয়। এর ফলে সম্পর্কে সুখের দিন মুছে গিয়ে বিষাদময় সময় শুরু হয় বলে মনে করা হয়। তাই সঙ্গীকে উপহার হিসাবে রুমাল উপহার দেওয়া যাবে না।
কাচের জিনিস: কাচের জিনিস উপহার দেওয়ার জন্য শুভ নয়। এতে সম্পর্কে ভাঙন দেখা যায় বলে মনে করা হয়। তাই পছন্দের মানুষকে কাচের তৈরি কোনও জিনিস উপহার দেওয়া যাবে না। ঘর সাজানোর সরঞ্জাম হোক বা বাসন, কাচের তৈরি যে কোনও জিনিসই সঙ্গীকে দেওয়া নিষেধ।
আরও পড়ুন:
জুতো: অনেকেই পছন্দের মানুষকে ভালবেসে জুতো উপহার দেন। তবে শাস্ত্র জানাচ্ছে জুতো উপহার হিসাবে ভাল নয়। এর ফলে সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব বৃদ্ধি পায়। বহু চেষ্টা করেও সম্পর্কের অশান্তি মেটানো যায় না।
সাদা ও কালো রঙের জিনিস: সাদা রং যে কোনও শুভ কাজে ব্যবহার করায় বাধা না থাকলেও, এই রঙের সঙ্গে শোকের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। প্রেম দিবসের মতো আনন্দমুখর দিনে তাই কাছের মানুষকে সাদা বা কালো রঙের কোনও জিনিস উপহার না দেওয়াই ভাল হবে। এর ফলে সম্পর্কে সুখের দিন মুছে গিয়ে দুঃখের সময় শুরু হয় বলে মনে করা হয়।