দক্ষিণবঙ্গের মানুষেরা তাঁদের বেশির ভাগ সময়টাই গরমে কাটান। ভূগোলের ভাষায় আমরা গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চল। শীতকাল যেন আমাদের কাছে অতিথি। খুব অল্প সময়ের জন্য এসে দেখা দিয়েই আবার চলে যায়। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, রাশির তারতম্য অনুযায়ী এক এক ঋতু এক এক রাশির প্রিয় হয়। কারও কাছে গরম প্রিয়, আবার কারও কাছে শীত, কেউ বৃষ্টিতে ভিজতে বেশি ভালবাসেন, আবার কেউ বসন্তে কোকিলের ডাক শুনতে পছন্দ করেন। কোন কোন রাশির ব্যক্তিদের শীতকাল প্রিয় হয় দেখে নিন।
কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের শীতকাল প্রিয় হয়?
বৃষ: বৃষ রাশির জাতক-জাতিকারা একটু বেশি আরামপ্রিয় হন। কম্বলের উষ্ণতা এঁরা খুবই পছন্দ করেন। তবে যে কোনও কাজ করার ক্ষেত্রেও এঁরা এগিয়ে যান। শীতকালে এঁদের কর্মক্ষমতা অন্যান্য সময়ের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।
কর্কট: এই রাশির জাতক-জাতিকারা শীতকাল খুব বেশি পছন্দ করেন। শীতের আমেজে ঘরের উষ্ণতায় বসে প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটাতে এঁরা খুবই ভালবাসেন। কর্কট রাশির ব্যক্তিরা এমনিতেই পরিবারের প্রতি প্রচুর যত্নশীল হন। পছন্দের ঋতু শীতটা এঁরা তাঁদের সঙ্গে কাটাতেই পছন্দ করেন।
বৃশ্চিক: শীতের পরিবেশ বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকাদের খুবই পছন্দের হয়। শীতের আমেজে সব কিছুকে গভীর ভাবে চিন্তা করতে খুব পছন্দ করেন এঁরা। নতুন কিছু গড়ে তোলার ইচ্ছা এঁদের এই সময়ে দেখা যায়।
ধনু: ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের শীতকাল
এতটাই পছন্দের হয় যে, এই সময়ের যে কোনও উৎসব এঁদের খুব প্রিয়। এ ছাড়া এই সময় বেড়াতে যেতে খুবই পছন্দ করেন ধনু জাতক-জাতিকারা। শীত সম্পর্কিত সব কিছুই যেন এঁদের
খুব ভাল লাগে।
মকর: মকর জাতক-জাতিকাদের কাছে শীত
একটু বেশিই প্রিয় হয়। এই সময় তাঁদের কাজের প্রতি একাগ্রতাও বৃদ্ধি পায়। ঠান্ডায়
এঁদের মধ্যে নতুন কিছু করার উদ্যম দেখতে পাওয়া যায়।
কুম্ভ: শীতের যে কোনও জিনিস কুম্ভ
জাতক-জাতিকাদের খুব প্রিয় হয়। কনকনে ঠান্ডা হাওয়া থেকে বরফের চাদর, কুম্ভ রাশির
ব্যক্তিদের কাছে সবই প্রিয়। শীতকালে এঁদের জীবনের প্রতি প্রেম বৃদ্ধি পায়।
মীন: শীতকাল মীন রাশির জাতকদেরও বেশ
পছন্দের হয়। শীতের যে কোনও জিনিস এঁরা ভালবাসেন। শীতের উৎসব, আলোর রোশনাই, খাবারদাবার
প্রভৃতি সব কিছুই মীন জাতক-জাতিকাদের অত্যন্ত প্রিয় হয়।