মোবাইল ফোন এবং ল্যাপটপ শুধু গ্যাজেট নয়, বরং এটি এখন আমাদের জীবনের সঙ্গে জড়িত অন্যতম প্রয়োজনীয় বস্তু। আমাদের জীবনে যা যা কিছু জড়িয়ে থাকে তারাই আমাদের শক্তির কেন্দ্রবিন্দু। সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাওয়া পর্যন্ত আমরা ডিজিটাল জিনিসপত্র দিয়ে পরিবৃত থাকি। তাই বাড়িঘর পরিষ্কার রাখার মতো এই যন্ত্রগুলিকেও পরিষ্কার রাখা জরুরি।
বাস্তুশাস্ত্র যেমন ঘরবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দেয় তেমনই ডিজিটাল যন্ত্রকে সাফসুতরো রাখারও কয়েকটি নিয়মকানুন মেনে চলতে বলে। ডিজিটাল জঞ্জাল দূর করার কিছু নীতি সম্পর্কে জেনে নিন যা আপনার জীবনে ইতিবাচকতা আনতে পারে।
আপনার ইনবক্স কি হাজার হাজার অপঠিত ইমেলে ভর্তি? অথবা আপনার ডেস্কটপ কি পুরনো ফাইলে জঞ্জালপূর্ণ? বাস্তুশাস্ত্রে একেই ডিজিটাল জঞ্জাল বলা হয়, যা মানসিক চাপের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বাড়ির কোনায় জমে থাকা আবর্জনা যেমন ইতিবাচক শক্তিকে আটকে রাখে, তেমনই পুরনো অপ্রয়োজনীয় ইমেল এবং চ্যাট জীবনে সিদ্ধান্তহীনতা তৈরি করে। পুরনো ডিজিটাল তথ্যও অগ্রগতিকে আটকে দেয়। এগুলো মুছে ফেলা মানে পুরনো স্মৃতি এবং নেতিবাচকতাকে বিদায় জানানো।
আরও পড়ুন:
ডেস্কটপ বা মোবাইলের স্ক্রিনের ফোল্ডার বা ফাইল অগোছালো থাকা মানে আপনার চিন্তাভাবনা অগোছালো। ফাইলগুলি গুছিয়ে রাখলে আপনার মস্তিষ্কে এই সঙ্কেত পৌঁছোয় যে সব কিছুই আপনার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যন্ত্রের সমস্ত কাজ মসৃণ ভাবে এগোতে সাহায্য করে।
ঘুমোনোর এক ঘণ্টা আগে মোবাইল, ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ থেকে দূরে থাকুন। মাথার কাছে মোবাইল ফোন রেখে ঘুমোনোর অভ্যাস ত্যাগ করাই বাঞ্ছনীয়। ফোনের রিংটোন এবং নোটিফিকেশন টোন মৃদু রাখুন। কর্কশ ও ভীতিকর শব্দ আপনার স্নায়ুতন্ত্রকে আকস্মিক ভাবে বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে। সেই নেতিবাচক দিকটি জীবনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।