জীবনে নানা সময়ে নানাবিধ সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় আমাদের। কখনও ভালবেসে যন্ত্রণা পাই, কখনও বা হাতছাড়া হয়ে যায় প্রিয় কোনও বস্তু। ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিরা অনেক সময় পড়ে যান ‘ভণ্ড গুরু’র ফাঁদে। এই সঙ্কটগুলো আমাদের থমকে দেয়। জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, এগুলোর কোনওটাই সাধারণ ঘটনা নয়। এর নেপথ্যে রয়েছে এক গভীর কারণ। গ্রহের কুপ্রভাবের ফলেই নানাবিধ বিপত্তিতে জড়িয়ে পড়ি আমরা।
শাস্ত্রবর্ণিত ৯টি গ্রহের কোনটি কুপিত হলে, কী সমস্যা আসে বলে জানাচ্ছেন অভিজ্ঞ জ্যোতিষীরা?
আরও পড়ুন:
- সূর্য: রবির প্রভাবে মানুষের চরিত্রে তেজের সঞ্চার হয় বলে জানাচ্ছে জ্যোতিষশাস্ত্র। রবি কুপিত হলে মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা যায়, বহু পরিশ্রম করেও প্রাপ্য সম্মান পান না সেই ব্যক্তি।
- বুধ: বুধ গ্রহ আমাদের বুদ্ধির নিয়ন্ত্রক বলে প্রচলিত বিশ্বাস। বুধের আশীর্বাদ না থাকলে মানুষের কথা বলার সময় স্থান-কালের বোধ থাকে না।
- শুক্র: রাক্ষসগুরু শুক্রাচার্য যদি তুষ্ট না থাকেন তবে মানুষ তাঁর হৃদয় অপাত্রে দান করেন বলে জানাচ্ছেন জ্যোতিষবিদেরা।
আরও পড়ুন:
- মঙ্গল: জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, জীবনে সমৃদ্ধি আসে লাল গ্রহের প্রভাবে। এর কৃপা না থাকলে হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে মানুষকে পস্তাতে হয়।
- বৃহস্পতি: পুরাণমতে, বৃহস্পতি হলেন দেবগুরু। তিনি যদি কোনও কারণে রুষ্ট হন, তবে মানুষ ‘ভণ্ড গুরু’র ফাঁদে পড়েন বলে মনে করা হয়।
- শনি: শনিকে বলা হয় কর্মফলদাতা। এই গ্রহের কুপ্রভাবে মানুষকে ক্রমাগত ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে যেতে হয় বলে জানাচ্ছে জ্যোতিষশাস্ত্র।
আরও পড়ুন:
- চন্দ্র: চাঁদ মানুষের আবেগ-অনুভূতির নিয়ন্ত্রক বলে বিশ্বাস। সে যদি সঙ্গ ছাড়ে তবে মানুষ একাকিত্বে ভুগতে থাকে বলে জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদেরা।
- কেতু: জ্যোতিষমতে, এই গ্রহ রুষ্ট হলে জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কোনও বস্তু, যা খুব প্রিয় তা বিনষ্ট হয়ে যেতে পারে।
- রাহু: ছায়াগ্রহ রাহু রুষ্ট হলেও তার ফল মারাত্মক হতে পারে বলে জানাচ্ছেন জ্যোতিষীরা। এই গ্রহের কুদৃষ্টিতে বৃথা পরিশ্রমে শক্তির অপচয় হয় বলে প্রচলিত বিশ্বাস।