বিয়ের কয়েক মাস যেতে না যেতেই অশান্তি। কারণ, নববধূকে দিয়ে ‘খারাপ কাজ’ করাচ্ছিলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। ১১ মাসের সন্তানকে রেখে সেই বধূর আত্মহত্যার ঘটনায় স্বামী-সহ শ্বশুরবাড়ির তিন সদস্যকে গ্রেফতার করল পুলিশ। অভিযোগ, বাড়ির বৌকে দিয়ে দেহব্যবসা করাতেন তাঁরা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকে বাসবকল্যাণ এলাকায়।
সোমবার কর্নাটকের বিদর জেলার বাসবকল্যাণ এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে অঞ্জনাবাঈ শেখর পাটিল নামে ২২ বছরের এক যুবতীর দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ২০২২ সালে তাঁর বিয়ে হয়েছিল জনৈক শেখর পাটিলের সঙ্গে। দম্পতির ১১ মাসের একটি সন্তান রয়েছে। অঞ্জনার বাপের বাড়ির অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে প্রতিনিয়ত মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন করা হত মেয়েকে। সেই কারণে নিজেকে শেষ করে দিয়েছেন অঞ্জনা।
আরও পড়ুন:
বধূর বাবা বিজয় কুমার পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন, তাঁর মেয়েকে দেহব্যবসায় নামতে বাধ্য করেছিল জামাইয়ের পরিবার। জামাই সরাসরি যুক্ত না হলেও স্ত্রীর পাশেও দাঁড়াননি। ক্রমশ এ নিয়ে অবসাদে ডুবে গিয়েছিলেন মেয়ে। রবিবার শ্বশুরবাড়িতে গলায় দড়ি দেন তিনি।
থানায় বিজয় এ-ও জানিয়েছেন, তাঁর মেয়েকে বিভিন্ন অবৈধ সম্পর্ক তৈরি করতে বাধ্য করতেন শ্বশুরবাড়ির সদস্যেরা। অভিযোগের ভিত্তিতে গার্হস্থ্য হিংসা-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে কর্নাটক পুলিশ। মৃতার স্বামী-সহ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে তারা। অঞ্জনার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ধৃতদের হাজির করানো হবে আদালতে।