এ বার নয়ডায় এক যুবতীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল। অভিযোগ, পণের দাবিতে বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়িতে অত্যাচারিত ছিলেন ওই যুবতী। চাহিদার শেষ ছিল না। আর সেই হয়রানি সহ্য করতে না-পেরেই কি ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হলেন ওই যুবতী? তাঁর বাপের বাড়ির সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই ওই যুবতীর স্বামী এবং শ্বশুরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, গ্রেটার নয়ডার ইকোটেক-৩ থানা এলাকার জলপুরা গ্রামের বাসিন্দা ঋত্বিকের সঙ্গে ১৪ মাস আগে বিয়ে হয়েছিল দীপিকার। তাঁর বাপের বাড়ির পরিবারের অভিযোগ, বিয়েতে যৌতুক হিসাবে টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতে মন ভরেনি ঋত্বিক এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের। ফরচুনার এসইউভি এবং আরও ৫১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন তাঁরা, বিয়ের পর দু’-তিন মাস সব কিছু ঠিকঠাক ছিল। তার পর থেকেই আরও পণের দাবি করতে থাকেন তাঁরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার রাতে ছাদ থেকে ঝাঁপ দেন দীপিকা। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান দীপিকার বাবা-মা। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ইকোটেক-৩ থানায় ঋত্বিক এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
আরও পড়ুন:
প্রাথমিক তদন্ত শেষে পুলিশের অনুমান, পণের জন্য চাপ দেওয়ার কারণে চরম পদক্ষেপ করে থাকতে পারেন দীপিকা। তবে তাঁর পরিবার এবং আত্মীয়দের সঙ্গে এ বিষয়ে আরও খবরাখবর নেওয়া হচ্ছে। দুই অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। একই সঙ্গে তদন্তকারীরা অপেক্ষা করছেন ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য। সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরেই মৃত্যুর কারণ আরও স্পষ্ট হবে। তাঁর দেহে যে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, তা ঝাঁপ মারার কারণে হয়েছে না নেপথ্যে অন্য কারণ, তা-ও জানা যাবে।