Advertisement
E-Paper

স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ‘প্রমাণ’ করতে আদালতে হোয়াট্‌সঅ্যাপ চ্যাট জমা দিতে চান স্বামী! সম্মতি ইলাহাবাদ হাই কোর্টের

স্ত্রীর ভরণপোষণের খরচ বহন করতে চান না স্বামী। তাঁর দাবি, স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। সেই দাবি প্রমাণ করতে হোয়াট্‌সঅ্যাপে কথোপকথনের কিছু নথি আদালতে জমা করতে চান তিনি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:২০
স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ‘প্রমাণ’ করতে ইলাহাবাদ হাই কোর্টের দ্বারস্থ স্বামী।

স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ‘প্রমাণ’ করতে ইলাহাবাদ হাই কোর্টের দ্বারস্থ স্বামী। — প্রতীকী চিত্র।

স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ স্বামীর। সেই অভিযোগ ‘প্রমাণ’ করতে হোয়াট্‌সঅ্যাপে কথোপকথনের কিছু নথি আদালতে জমা দিতে চান তিনি। তাঁকে সেই হোয়াট্‌সঅ্যাপ চ্যাট আদালতে জমা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইলাহাবাদ হাই কোর্ট।

উত্তরপ্রদেশের এক পারিবারিক আদালতে ওই দম্পতির মামলা চলছে। সেই আদালত স্বামীকে নির্দেশ দিয়েছে, স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য মাসে ১০ হাজার টাকা করে দিতে হবে। কিন্তু আদালতের নির্দেশে আপত্তি রয়েছে স্বামীর। তাঁর দাবি, স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। তাই ভরণপোষণের খরচ তাঁকে দেওয়া যাবে না। নিজের দাবি প্রমাণের জন্য হোয়াট্‌সঅ্যাপে কিছু কথোপকথনের নথিও আদালতে জমা করতে চান তিনি। কিন্তু পারিবারিক আদালতে সেই আর্জি খারিজ হয়ে যায়। এর পরে ইলাহাবাদ হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন স্বামী।

হাই কোর্টের বিচারপতি মদনপাল সিংহ জানিয়েছেন, হোয়াট্‌অ্যাপে ওই কথোপকথনের তথ্যকে প্রামাণ্য নথি হিসাবে গ্রহণ করতে হবে। হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণ, মামলাকারীর স্ত্রী যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে, সেটিকে বিবেচনা করে দেখা হয়নি নিম্ন আদালতে। এই অভিযোগের সত্যতা থাকলে ফৌজদারি দণ্ডবিধি (সিআরপিসি) অনুযায়ী স্বামী ভরণপোষণের খরচ দিতে অস্বীকার করতে পারেন। ফলে সেই অভিযোগটি নিম্ন আদালতে বিবেচনা করে দেখা উচিত ছিল বলে মনে করছে হাই কোর্ট।

সাধারণত কোনও ডিজিটাল তথ্যকে আদালতে প্রামাণ্য নথি হিসাবে দেখানোর জন্য তথ্যপ্রমাণ আইনের আওতায় নির্দিষ্ট শংসাপত্র জমা দিতে হয়। এ ক্ষেত্রে মামলাকারী স্বামী তা করেননি। সেই কারণেই তাঁর আর্জি খারিজ করে দিয়েছিল নিম্ন আদালত। তবে হাই কোর্ট জানিয়েছে পারিবারিক আদালত আইনের আওতায় স্পষ্ট করা হয়েছে, কোনও নথি বিবাদের নিষ্পত্তিতে সাহায্য করার মতো মনে হলে তা প্রামাণ্য নথি হিসাবে গ্রহণ করা যেতে পারে। সেই কারণেই নিম্ন আদালতের রায় খারিজ করে দিয়েছে হাই কোর্ট। স্বামী যে হোয়াট্‌সঅ্যাপ চ্যাটের কথা বলছেন, তা প্রমাণ্য নথি হিসাবে গ্রহণ করে মামলাটি পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।

Allahabad High Court Marital Dispute
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy