মায়ের পাশে ঘুমিয়ে থাকা ৯ মাসের শিশুকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল উত্তরপ্রদেশে গোরক্ষপুরে। ঘটনায় অভিযুক্ত ১২ বছরের এক কিশোর। ওই নাবালককে ইতিমধ্যে ধরেছে পুলিশ। তার কাছ থেকে একটি মোবাইলও বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা।
ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার রাতে। ওই রাতে মেয়েকে নিজের পাশে নিয়েই ঘুমিয়েছিলেন শিশুর মা। পরে রাত ২টো নাগাদ তিনি খেয়াল করেন, মেয়ে পাশে নেই। রাতেই আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন পরিবারের সদস্যেরা। শেষে শনিবার সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে একটি মাঠের মধ্যে টিনের চালাঘর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে যৌন নির্যাতনের বিষয়ে নিশ্চিত হন চিকিৎসকেরা।
ঘটনার তদন্তে নেমে প্রথমে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ। তাতে ১২ বছর বয়সি ওই নাবালক আত্মীয়ের দিকে সন্দেহ যায় তদন্তকারীদের। সে তিন দিন আগেই চণ্ডীগড় থেকে গোরক্ষপুরের ওই বাড়িতে এসেছিল। সেই মতো ওই নাবালককে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তদন্তকারীরা। রবিবার সকালে জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে তার কথাবার্তাও বেশ অসংলগ্ন লাগছিল পুলিশের। পরে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেন তদন্তকারীরা।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে পিটিআই জানাচ্ছে, পরবর্তী সময়ে পুলিশের কাছে ঘটনার কথা স্বীকার করেছে নাবালক। পুলিশকে ওই কিশোর জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে সে মদ্যপান করেছিল। তার পরে মোবাইলে পর্নও দেখেছিল। পরে রাতে ঘুমন্ত ওই শিশুকে তুলে নিয়ে যায় সে। তার কাছ থেকে পাওয়া মোবাইলটিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, তাতে ৫০টিরও বেশি আপত্তিকর ভিডিয়ো পাওয়া গিয়েছে। বিভিন্ন পর্নোগ্রাফিক ওয়েবসাইটও ঘাঁটা হত ওই মোবাইল থেকে। গোরক্ষপুরের পুলিশ সুপার নিমেশ পাটিল জানিয়েছেন, নির্যাতিত শিশু বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনায় যথাযথ আইনানুগ পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।