Advertisement
E-Paper

নাবালিকাকে গণধর্ষণে অভিযুক্ত ছয় নাবালক! প্রাপ্তবয়স্কের জন্য তৈরি ভিডিয়ো দেখেই প্রভাবিত হয় কিশোরেরা, জানাচ্ছে পুলিশ

নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী কোচিং থেকে বাড়ি ফিরছিল। সেই সময়েই এই ঘটনা ঘটে। নাবালিকাকে একটি নির্জন এলাকায় ডেকে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয় অভিযোগ। ঘটনায় মূল অভিযোগ ১৭ বছর বয়সি এক কিশোরের বিরুদ্ধে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:০১
এই ধরনের খবরের ক্ষেত্রে আসল ছবি প্রকাশে আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকে।

এই ধরনের খবরের ক্ষেত্রে আসল ছবি প্রকাশে আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকে। —প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল ছয় নাবালকের বিরুদ্ধে। ওড়িশার বোলাঙ্গির জেলার ওই ঘটনায় ছ’জনকেই পাকড়াও করেছে পুলিশ। ছ’জনই নাবালিকার পূর্বপরিচিত। পুলিশ জানাচ্ছে, ওই নাবালকেরা মোবাইলে প্রাপ্তবয়স্কদের কোনও ভিডিয়ো দেখেছিল। তার পরেই চড়াও হয় নাবালিকার উপরে। ধৃতদের হোমে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ড।

ঘটনাটি ঘটেছিল প্রায় দেড় মাস আগে। তবে এত দিন বিষয়টি প্রকাশ্যে আসেনি। সম্প্রতি নাবালিকার উপরে ওই নির্যাতনের ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর পরেই গত মঙ্গলবার থানায় গিয়ে অভিযোগ জানায় ১৫ বছর বয়সি ওই কিশোরীর পরিবার। পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছয় জনকেই আটক করা হয়।

জানা যাচ্ছে, গত ২৭ ডিসেম্বর নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী কোচিং থেকে বাড়ি ফিরছিল। সেই সময়েই এই ঘটনা ঘটে। নাবালিকাকে একটি নির্জন এলাকায় ডেকে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয় অভিযোগ। ঘটনায় মূল অভিযোগ ১৭ বছর বয়সি এক কিশোরের বিরুদ্ধে। জানা যাচ্ছে, বাকি অভিযুক্তদেরও বয়স ১৪-১৬ বছরের মধ্যে। নাবালিকাকে ধর্ষণের সময়ে সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ। তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল, ঘটনার কথা যেন বাবা-মাকে না জানায়। ঘটনাটি জানাজানি হলে ওই ভিডিয়ো ফাঁস করে দেওয়া হবে, এমন হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ।

পুলিশের অনুমান, সম্ভবত সেই কারণেই প্রথমে বাড়িতে কিছু জানায়নি নির্যাতিতা। পরে ওই ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশের দ্বারস্থ হয় পরিবার। ওই অভিযোগ পাওয়ার পরে ইতিমধ্যে ছ’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। একটি মোবাইলও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, সেটিতে বেশ কিছু ‘সংবেদনশীল তথ্যপ্রমাণ’ রয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে, নির্যাতনের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করার জন্য ওই মোবাইলটিই ব্যবহার হয়েছিল।

বোলাঙ্গিরের আইজি (নর্দার্ন রেঞ্জ) হিমাংশু লাল বলেন, “আমরা সব অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছি।” অভিযুক্ত নাবালকেরা মোবাইলে কোনও প্রাপ্তবয়স্কদের ভিডিয়ো দেখে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে জানান আইজি। তাঁর কথায়, সেটি ছিল অপরাধের মূল কারণ। জেলার পুলিশ সুপার অবিনাশ জি জানান, গোটা ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ১৭ বছর বয়সি এক কিশোর। তিনি বলেন, “বিচারের সময়ে ওই মূল অভিযুক্তকে প্রাপ্তবয়স্ক হিসাবে গণ্য করার জন্য আমরা আদালতকে অনুরোধ করব।” পরিবারের অভিযোগের পরে নির্যাতিতার বয়ান সংগ্রহ করেছে পুলিশ। তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

Odisha
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy