E-Paper

মিয়াঁরা নিশানায়, জানালেন হিমন্ত

এসআর প্রক্রিয়ায় রাজ্যে প্রায় ৩০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়ার আবেদন জমা পড়েছে। ২ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পাবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:৪৭
মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা।

মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা। ফাইল চিত্র।

অসমে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (স্পেশাল রিভিশন বা এসআর) প্রক্রিয়া নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই বলে দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা। সঙ্গে কার্যত মেনে নিলেন, বিজেপি ইচ্ছে করেই মিঁয়া বা পূর্ববঙ্গীয় মূলের মুসলিমদের উপরে চাপ বাড়াতে, তাঁদের নাম কাটার জন্য অভিযোগ জমা দিয়েছে। পাঠানো হচ্ছে নোটিস।

এসআর প্রক্রিয়ায় রাজ্যে প্রায় ৩০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়ার আবেদন জমা পড়েছে। ২ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পাবে। তার মধ্যে এত অভিযোগের নিষ্পত্তি কার্যত অসম্ভব। এ নিয়ে কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে বিরোধীরা। বিরোধী ভোটারদের নাম কাটার জন্যেই ইচ্ছে করে বৈধ ভোটারদের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীরা অভিযোগ জমা দিয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস, তৃণমূল, রাইজ়র দল, অসম জাতীয় পরিষদ।

মুখ্যমন্ত্রী শনিবার বলেন, ‘‘এই প্রক্রিয়ায় কোনও হিন্দু বা অসমিয়া মুসলিমকে নোটিস দেওয়া হয়নি। কেবল মিঁয়াদের নামে নোটিস দেওয়া হয়েছে।” মিঁয়া শব্দটি সাধারণত ব্যবহার করা হয় বাংলা ভাষাভাষী মুসলিমদের বোঝাতে। হিমন্তের দাবি, “মিঁয়াদের চাপে রাখতেই এই নোটিস দেওয়া হয়েছে। আগামী জনগণনায় অসমে বাংলা ভাষাভাষী মুসলিমদের সংখ্যা রাজ্যের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০%-এ পৌঁছতে পারে। নিয়ন্ত্রণ না করা হলে ওরা আমাদের মাথার উপর দিয়ে হেঁটে যাবে।” বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বিধানসভা ভোটের আগে পরিচালিত এসআর প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য প্রকৃত নাগরিকদের, বিশেষ করে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের হয়রানি।

হিমন্ত বলেন, “এতে লুকোনোর কিছু নেই। মিঁয়া সম্প্রদায়ের কাছে বিজেপিকে হারানো এক রকম জেহাদে পরিণত হয়েছে। আমরাও তাই ওদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করবই। এসআর-এর নোটিস, সীমান্ত পুলিশের নোটিস, উচ্ছেদের নোটিস ওদের বিরুদ্ধে পাঠাতেই থাকব। তবে তা আইনের মধ্যেই হবে।” তিনি কংগ্রেস ও রাইজ়র দলের নেতা অখিল গগৈকে নিশানা করে বলেন, “বিধানসভা ভোটে প্রায় ৭০০ কংগ্রেস টিকিটপ্রার্থীর মধ্যে প্রায় ৬০০ জনই মিয়াঁ সম্প্রদায়ের। অখিল গগৈ বা কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে অসম মিঁয়া রাজ্যে পরিণত হবে। ভূমিপুত্র অসমিয়াদের স্বার্থ উপেক্ষিত হবে।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Himanta Biswa Sarma Assam

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy