জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দার সঙ্গে যোগসূত্র থাকার অভিযোগ ওঠার পর পরই বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে ফেলা হল অসমের বঙ্গাইগাঁওয়ের একটি মাদ্রাসা। একই সঙ্গে, প্রশাসনের তরফ থেকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে আগেই জানানো হয়েছিল, মাদ্রসা ভবনটি কাঠামোগত ভাবে দুর্বল এবং এখানে কারও বসবাস করা নিরাপদ নয়। এই ভবনগুলি নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়নি বলেও অভিযোগ আনা হয়। আর তার পরই বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল মাদ্রাসা ভবন। এর আগে বাংলাদেশের চরমপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়। ভাঙা হবে শুনে মঙ্গলবার রাত থেকেই স্থানীয়দের সহযোগিতায় মাদ্রাসা খালি করার কাজ শুরু করেন কর্তৃপক্ষ।
বঙ্গাইগাঁওয়ের এসপি স্বপ্ননীল ডেকা সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, ‘‘জেলা প্রশাসন একটি আদেশে জানিয়েছিলেন, এই মাদ্রাসা কাঠামোগত ভাবে দুর্বল এবং বসবাসের জন্য নিরাপদ নয়। নিয়ম অনুসারেও বানানো হয়নি মাদ্রাসার এই ভবনটি।’’
#WATCH | Assam: Markazul Ma-Arif Quariayana Madrasa, located at Kabaitary Part-IV village in Bongaigaon district, being demolished
— ANI (@ANI) August 31, 2022
This is the 3rd Madrasa demolished by the Assam government following arrests of 37 persons including Imam and Madrasa teachers linked with AQIS/ABT pic.twitter.com/zTQiiicAne
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘‘মঙ্গলবার আল কায়দার সঙ্গে যুক্ত এক জন গ্রেফতার জঙ্গিকে সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসার ভিতরে তল্লাশি অভিযান চালায় গোয়ালপাড়া জেলা পুলিশ। জেলা প্রশাসনের নির্দেশ অনুসারে, আমরা মাদ্রাসাটি ভেঙে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।’’
এই ঘটনাকে উত্তরপ্রদেশের ‘বুলডোজার নীতি’র সঙ্গেও তুলনা করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ।