পণের দাবিতে এক বধূকে খুনের অভিযোগ উঠল ঝাড়খণ্ডের পলামু জেলায়। শুধু তা-ই নয়, প্রমাণ লোপাটের জন্য মহিলার দেহ পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তার পর সেই দেহ জঙ্গলে ফেলে আসা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার পলামুর দাল্লা গ্রামের একটি জঙ্গলে এক মহিলার আধপোড়া দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়েরা। তার পরই তাঁরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে দাল্লা গ্রামে ওই মহিলার শ্বশুরবাড়ি। স্থানীয়দের কাছে থেকে খবর পেয়েই মহিলার শ্বশুরবাড়িতে যায় পুলিশ। কিন্তু সেখানে কাউকে পাননি।
স্থানীয়দের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, ১১ মাস আগে মহিলার বিয়ে হয়েছিল। তাঁর বাপের বাড়ি উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রে। পলামুতে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। মহিলার পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই পণের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। তা নিয়ে নিত্য দিন অশান্তি হত। প্রতিবেশীদেরও দাবি, মহিলাকে মারধর করা হত। গত দু’দিন ধরে মহিলার কোনও সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। তার পরই রবিবার গ্রামলাগোয়া একটি জঙ্গল থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার হয়।
মহকুমা পুলিশ আধিকারিক অলোককুমার টুট্টি জানিয়েছেন, মহিলার দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ১৩ ফেব্রুয়ারি মহিলাকে খুন করা হয়। তার পর দেহ জঙ্গলে ফেলে যাওয়া হয়। মহিলার শ্বশুরবাড়ির লোকেদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।