প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে জোড়া সাফল্য বিএসএফ এবং দিল্লি পুলিশের। জম্মু ও কাশ্মীরের সাম্বা থেকে উদ্ধার হল অস্ত্রশস্ত্র। আর দিল্লি পুলিশ জালে ফেলল সাইবার অপরাধ চক্রকে। তাইওয়ানের এক নাগরিক-সহ মোট সাত জনকে গ্রেফতার করেছে তারা। এই চক্রটি ডিজিটাল গ্রেফতারি-সহ বিভিন্ন জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় ১০০ কোটি টাকা তুলেছিল বলে অভিযোগ।
জম্মু ও কাশ্মীরে সরকারি সূত্রের খবর, শনিবার সাম্বার পালুরা গ্রামের বাসিন্দারা একটি ড্রোন উড়তে দেখে নিরাপত্তারক্ষীদের জানান। বিএসএফের ৫২ নম্বর ব্যাটেলিয়ন এবং রাজ্য পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে দু’টি পিস্তল, একটি হ্যান্ড গ্রেনেড, তিনটি ম্যাগাজ়িন এবং ১৬টি পিস্তলের গুলি উদ্ধার করে। নিরাপত্তা বাহিনীর বক্তব্য, অনুপ্রবেশে ব্যর্থ হয়ে এখন ড্রোনের মাধ্যমে উপত্যকায় অস্ত্র ঢোকানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। স্থানীয় বাসিন্দারের এ ব্যাপারে সজাগ থাকতে বলা হয়েছে।
অন্য দিকে দিল্লি পুলিশের ইন্টেলিজেন্স ফিউশন অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক অপরেশন্স শাখার ডিসিপি বিনীত কুমার শুক্রবার জানান, আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধ চক্রের সাত জনকে গ্রেফতার করেছেন তাঁরা। চক্রটি ছড়িয়ে রয়েছে চিন, নেপাল, কম্বোডিয়া, তাইওয়ান এবং পাকিস্তানে। দিল্লি, মুম্বই এবং মুম্বই থেকে উদ্ধার হয়েছে বেশ কয়েকটি সিম বক্স, প্রায় ২০ হাজার ই-সিম এবং ১২০টি সাধারণ সিম। এগুলির সাহায্যেই সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলা হত। তদন্তকারী সংস্থার নাম করে বলা হত, তাঁদের ফোন নম্বর সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার পরে ডিজিটাল গ্রেফতারির নামে টাকা আদায় করা হত। ওই পুলিশকর্তা আরও জানিয়েছেন, ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কোয়ার্ডিনেশন সেন্টার এবং টেলিকম দফতরের সাহায্যে ২৫ জন অফিসারের একটি দল এই চক্রকে ধরতে অভিযান চালায়। প্রথমে শশী প্রসাদ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। সে ওই চক্রকে ঘরভাড়া দিত। তাকে জেরা করে একে একে ধরা হয় বাকিদের। সুং চেন নামে তাইওয়ানের এক নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, সে দিল্লি এবং মোহালিতে সিম বক্সের পরিকাঠামো তৈরি করেছিল। গ্রেফতার হওয়া প্রত্যেকের কিছু না কিছুপ্রযুক্তিগত দক্ষতা আছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)